
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
রাজধানীর পাশের শিল্পসমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জ শহরকে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বেশকিছু প্রকল্পও ইতোমধ্যে সিটি কর্পোরেশন হাতে নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১৩ মে) সকালে নগরীর প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়কে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নগরবাসীকে সচেতন করতে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন সিটি প্রশাসক।
শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে জাপানের দাতা সংস্থা জাইকা’র অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্নেন্স প্রজেক্টের (ইউডিসিজিপি) অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সিটি প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে পরিচ্ছন্ন শহর ও রাস্তাঘাট করার লক্ষে কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। নগরবাসীকেও সেসব প্রকল্পের বিষয়ে অবগত করা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করেছেন। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে দিয়ে তা হাঁটার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়েও কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন।
তিনি বলেন, “ফুটপাত দিয়ে সাধারণ পথচারীরা হাঁটবেন। তা দখল করা যাবে না। তবে, হকারদেরও পুনর্বাসন করা হবে।”
নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার আহ্বান জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “জাপানের মানুষ এখানে এসেছে রাস্তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য, জনগণকে সচেতন করার জন্য। জনগণ সচেতন না হলে একদিকে পরিষ্কার করা হবে, অন্যদিকে ময়লা হয়ে যাবে।”
“এই নারায়ণগঞ্জকে আমরা গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন শহর করতে চাই। গাছ লাগিয়ে এই নারায়ণগঞ্জকে সবুজায়নের শহর করতে চাই। তাপমাত্রা কমাতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা বাংলাদেশে উন্নয়নের কার্যক্রম চালাচ্ছেন, এটি তারই একটি অংশ। এই উন্নয়ন হবে টেকসই উন্নয়ন। নারায়ণগঞ্জবাসী এই উন্নয়নের সুবিধাভোগী হবে”, যোগ করেন তিনি।
এ কর্মসূচিতে শহরে সচেতনতামূলক র্যালি, নারায়ণগঞ্জ সিটি পার্কে ডাস্টবিন স্থাপন ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউডিসিজিপি’র টিম লিডার রাইমন্ড গো, নাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ইসমাইল চৌধুরী, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হিরণ, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শ্যামল পাল প্রমুখ।