1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ফতুল্লা থানার ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে নোয়াখাইল্যা রাসেলের ‘অপরাধ সিন্ডিকেট’! বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ ১৪ মামলার আসামি ‘ক্যাডার সোহেল’ গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ফতুল্লা থানার ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সোনারগাঁয়ে চার অবৈধ চুনা কারখানায় তিতাসে অভিযান সোনারগাঁ প্রতিনিধি ত্বকী হত্যা : ১৫৮ মাসেও বিচারহীনতা, দ্রুত বিচারের দাবি রাজধানীতে বাড়ছে পুলিশ নজরধারী, হচ্ছে নতুন ৪ থানা জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নেরও দাবি জানালেন মাও.জব্বার ঐক্যবদ্ধভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে-এমপি কালাম গণভোটের রায় কার্যকর ও শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার দাবি জানালেন খেলাফত মজলিস

পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি! ফতুল্লা থানার ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ।

জেলা ডিবি পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে থেকেই ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ থাকলেও, বর্তমানে ফতুল্লা থানার ওসি হিসেবে তার বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ রয়েছে, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির নাম ব্যবহার করে এবং কুমিল্লার এলাকার বড় ভাই পরিচয় দিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, আড়াইহাজার, সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর ও সদর থানাসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের ডেকে এনে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন তিনি।

এ ধরনের বৈঠকগুলো প্রায়ই জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের বিপরীতে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হতো।

কিছু ঘটনায় গোপনে ভিডিও ধারণ করা হলেও সেগুলো পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে মুছে ফেলা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে নতুন করে সামনে এসেছে তার চাঁদাবাজির নানা অভিযোগ।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওসি মাহবুব আলম ফতুল্লা থানায় দায়ের করা একটি মামলায় (জিআর-২২) আসামি করার ভয় দেখিয়ে প্রথমে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং পরে ১ লাখ টাকা আদায় করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে ‘যোদ্ধা মাহফুজ’ নামে এক ব্যক্তিকে আসামি করে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়।

এতেই শেষ নয়। গত ৬ মে রাজধানীর নয়া পল্টনের জোনাকী মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত একটি থাই-চাইনিজ রেস্টুরেন্টে টাকা ফেরতের কথা বলে এক ভুক্তভোগীকে ডেকে নেন ওসি মাহবুব।

নির্ধারিত সময় রাত ৭টা ৫০ মিনিটে সেখানে আরও অন্তত ৬ জন ভুক্তভোগীর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষে একটি শপিং ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওসি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ওই সময় ওসি মাহবুব আলম পুলিশি পাহারায় ছিলেন এবং কমলা রঙের গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় তাকে দেখা যায়।

পুরো ঘটনাটি ওই রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে থাকার কথা বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এমন ধারাবাহিক অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভুক্তভোগীরা দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

উপসংহার:

যেখানে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা পুলিশের, সেখানে যদি অভিযোগের তীর তাদের দিকেই উঠে—তবে তা শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার ওপরই আস্থাহীনতার বার্তা দেয়।

ওসি মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট