1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
সোনারগাঁয় র‌্যাব হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ আসামি পালানোর অভিযোগ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লা থানা যুবদলের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন বেপরোয়া কথিত মহিলা দলের সভানেত্রী বন্যা আক্তার! মৃতদের আসামি আর জীবিতদের অব্যাহতি! রাকিব হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন? সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি ফতুল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা, গাঁজার গাছ ও বিদেশি মুদ্রাসহ আটক ৩ “সতীর্থ-০১” এর ২৫ বছর পূর্তি রজতজয়ন্তী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট জেলা শাখার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ময়লার ভাগাড় অপসারণে মাঠে ইউএনও, তিন ধাপে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ অচিরেই কুতুবপুরকে সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হবে-এমপি আল আমিন

সোনারগাঁয় র‌্যাব হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ আসামি পালানোর অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় আলোচিত উমায়ের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শহিদকে আটকের পর র‌্যাবের হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনায় অভিযান পরিচালনার বিষয়টিই অস্বীকার করেছে র‌্যাব-১১।

রবিবার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকার হৈচৈ পার্কে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পলাতক শহিদ চরকিশোরগঞ্জ এলাকার জালাল মাতবরের ছেলে। তিনি আলোচিত উমায়ের হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিভিল পোশাকে আসা একটি দল চরকিশোরগঞ্জের হৈচৈ পার্ক এলাকা থেকে শহিদকে আটক করে। পরে তাকে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে হৈচৈ শুরু করেন। এক পর্যায়ে বিশৃঙ্খলার মধ্যে শহিদ পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক মোক্তার হোসেন বলেন, শহিদকে আটকের পর ঘটনাস্থলে অনেক মানুষ জড়ো হয়। হৈচৈয়ের মধ্যেই সে পালিয়ে যায়। তবে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে নাকি নিজেই পালিয়েছে, তা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। সেখানে সিভিল পোশাকে কয়েকজন সদস্যকে দেখেছি। নিহত উমায়ের আমার ছাত্র ছিল।

এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শহিদের অবস্থান ও তাকে পুনরায় আটকের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

র‌্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ওই এলাকায় আমাদের কোনো টিম অভিযান পরিচালনা করেনি। বিষয়টি আমার জানা নেই।

ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট