1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত: তথ্যমন্ত্রী - যুগের নারায়ণগঞ্জ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফর্মা জাফরের তিন তাসের ভেলকিতে নি:স্ব সাধারন মানুষ! পুলিশের চোখে কাঠের চশমা!! সোনারগাঁয়ে গরুর মাংস ব্যবসায়ীর ১০ লাখ টাকা ছিনতাই, আহত ৩ রূপগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ১, আহত ২ রূপগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মটর সাইকেল আরোহী নিহত শহদীদের আত্মত্যাগেই নারায়ণগঞ্জবাসী ওসমানীয় গোষ্ঠী থেকে মুক্ত হয়েছে-এমপি আল আমিন খেলাফত মজলিস নেতা সিরাজুল মামুনের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক সমাজকে অপরাধ মুক্ত করতে হলে ঐক্যবদ্বভাবে কাজ করতে হবে-রিয়াদ চৌধুরী ফতুল্লায় জামায়াতের উদ্যােগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজ শাহ্-এর আস্তানার উদ্যোগে অসহায়দের ঈদবস্ত্র বিতরণ সংগঠনের পরিপন্থী কর্মকান্ডের অভিযোগে সোনারগাঁ যুবদল নেতাকে কারন দর্শানোর নোটিশ

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান জড়িত: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ও ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দু’টিতেই জিয়াউর রহমান যুক্ত।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) জেলহত্যা দিবসে বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’

‘প্রকৃতপক্ষে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা এবং ৩ নভেম্বরে জেলহত্যা এই দুই হত্যাকাণ্ডের সাথেই জিয়াউর রহমান ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন’

ড. হাছান বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের আগে থেকেই খন্দকার মোশতাকের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছিলেন। কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ তার একান্ত বিশ্বস্তজন বলেই জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল।

পরে নিজে ক্ষমতা দখলের পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকারী সবাইকে পুনর্বাসিত করেন জিয়া। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ক্ষমতা নিষ্কণ্টক করা, পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন করা এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের সাথে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেয়ার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করা হয়েছিল। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, তবে অনেক আসামি পলাতক।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই অপরাধীদের মধ্যে যারা জীবিত আছে তাদের সবাইকে ফিরিয়ে এনে বিচার কার্যকর করা। কারণ ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে, সমস্ত অন্যায়ের প্রতিকার করতে হয়। সে জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন, ৩ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। একইসাথে যুদ্ধাপরাধী অনেকের বিচার হয়েছে এবং অনেকের বিচার কার্যক্রম চলছে। পলাতক অপরাধীদের ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করলেই ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অন্যায়ের প্রতিকার হবে।’

গুজব রটনাকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আনার জন্য জনগণকে অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ যেকোনোভাবে যদি কেউ গুজব রটায় বা অসত্য তথ্য বা পোস্ট দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী এসময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহতদের এবং ৩ নভেম্বর নিহত জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট