
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে এবার নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বর্জ্য অপসারণ কাজে মাঠে নেমে তদারকি করেন কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।
ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান। যেন দুর্গন্ধ, ময়লার স্তূপ কিংবা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়—সেজন্য বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করেন সহকারী কমিশনার ভূমি ফাইরুজ তাসনীম ।
উপজেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝেও তৈরি হয়েছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে এদিন দেশের সব উপজেলা ও পৌরসভায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশনা দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ।
তবে সোনারগাঁ উপজেলায় পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিয়ে কোরবানি পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জন্য এলাকার খোলা জায়গায় কোথাও কোরবানি পশুর বর্জ্য দেখা যায়নি।
কোরবানির তৃতীয় দিনেও কয়েক জায়গায় কোরবানি করা হয়েছে।সে জায়গাগুলোতে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এবিষয়ে কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, কুরবানির হাট ও পশুর বর্জ্যের কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা এবং নাগরিক ভোগান্তি কমানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সমন্বিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার করা সম্ভব হয়।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি বর্জ্যবাহী যানগুলো দিনভর চালু রাখা হয়। এছাড়া পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ রোধে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বর্জ্য রাখার পলি ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে৷