1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
ঘোড়াঘাটে ওয়াহেদ হত্যা মামলার আসামী ফরিদুল গ্রেফতার - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রশাসক মামুন মাহমুদের পরিদর্শনে ফতুল্লায় লাশ ধোয়ার ঘর ও অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড নির্মাণ তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস

ঘোড়াঘাটে ওয়াহেদ হত্যা মামলার আসামী ফরিদুল গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাহিদ হোসেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে চাচা আবদুল ওয়াহেদ (৫৫) হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামী ভাতিজা ফরিদুল ইসলাম (২৫) র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে বগুড়া চারমাথা বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে ও বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আবদুল ওয়াহেদ নামের এক ব্যক্তিকে তাঁর ভাতিজা ফরিদুল ইসলাম ছুরিকাঘাতে আহত করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই আবদুল ওয়াহেদের ছেলে জাকিরুল ইসলাম পাঁচজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আবদুল ওয়াহেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।’

নিহত ব্যক্তির পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবদুল ওয়াহেদের সঙ্গে জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর বড় ভাই আফজাল হোসেন ও লাল মিয়ার বিরোধ চলছিল। এর জেরে বিভিন্ন সময় আবদুল ওয়াহেদের বড় ভাই ও তাঁদের পরিবারের লোকজন ওয়াহেদকে প্রাণনাশের হুমকি দিত।
২৬ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে আবদুল ওয়াহেদ ব্যক্তিগত কাজে বাড়ির বাইরে বের হন। এ সময় এজাহারে নামীয় পাঁচজনসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা হাতে লাঠি, লোহার রড় ও ধারালো ছুরি নিয়ে আবদুল ওয়াহেদের পথরোধ করেন।
আবদুল ওয়াহিদ পথরোধের কারণ জানতে চাইলে তাঁর বড়ভাই লাল মিয়ার নির্দেশে বাকি আসামিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি মারপিট করতে থাকে। এ সময় তাঁর ভাতিজা ফরিদুল ইসলাম ধারালো ছুরি দিয়ে আবদুল ওয়াহেদের পেটের ডানপাশে আঘাত করে। এ সময় আবদুল ওয়াহিদ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

আবদুল ওয়াহেদের চিৎকারে আশপাশের লোক জন ছুটে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে আবদুল ওয়াহেদকে তাঁর পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবণতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৭ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৬টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবদুল ওয়াহেদের মৃত্যু হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: DE IT