1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
ট্রাইব্যুনালে জবানবিন্দতে বড় ভাই : অয়ন ওসমানের গুলিতে ভাই শহীদ হন - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আড়াইহাজারে চাঁদাবাজি অভিযোগে এসআই ক্লোজড বন্দরে গ্রাম আদালতের সেবা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ট্রাইব্যুনালে জবানবিন্দতে বড় ভাই : অয়ন ওসমানের গুলিতে ভাই শহীদ হন ত্যাজ্যপুত্র করার আইনী বা ধর্মীয় বিধান আছে কি? ফতুল্লায় শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা, সোহেল গ্রেপ্তার ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগী উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া কুতুবপুরের অপরাধীদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চলবে-এসপি শামীম ওসমানের ছায়া হয়ে ওঠা পিএস মান্না এখন কোথায় ? কোটি কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জে তোলপাড় শহরে মহিলা কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সাংবাদিক আদিত্যের বাসায় চুরি

ট্রাইব্যুনালে জবানবিন্দতে বড় ভাই : অয়ন ওসমানের গুলিতে ভাই শহীদ হন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জুলাই শহীদ মো. আবুল হাসান স্বজনের বড় ভাই মো. আবুল বাশার অনিক। শামীম ওসমানসহ এ মামলায় মোট ১২ জন আসামি রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার শুরু করলেও সবাই পলাতক থাকায় আসামিদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলছে।

সাক্ষ্যে তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শামীম ওসমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণে তার ভাই গুলিবিদ্ধ হন এবং পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বুধবার ট্রাইব্যুনালে দেয়া জবানবন্দিতে আবুল বাশার অনিক বলেন, ‘রংপুরে শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর ১৭ জুলাই থেকে তিনি ও তার ভাই আবুল হাসান স্বজন নিয়মিত আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করেন।’ ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি লিংক রোডে আন্দোলনের সময় শামীম ওসমান, অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, তানভীর রহমান টিটু, শাহ নিজাম, ডিস বাবু, ছাত্রলীগ নেতা শুভ, সোহানুর রহমান শুভ্রসহ ১৫০ থেকে ২০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই ঘটনায় আদিল ও আবুল হোসেন মিঝি নিহত এবং এনআরবি মামুনসহ অনেকে আহত হন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষ্যে তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট সকালে তিনি ও তার ভাই কুশিয়ারা এলাকার বাসা থেকে আন্দোলনে যোগ দিতে চাষাড়া মোড়ের উদ্দেশে রওনা দেন। শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে মিশনপাড়া এলাকায় অন্যান্য আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়ার পর চাষাড়া মোড় ও ল্যাবএইড হাসপাতালের গলির কাছে শামীম ওসমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়।’ তার দাবি, অয়ন ওসমানের পিস্তল থেকে ছোড়া গুলি তার ভাই আবুল হাসান স্বজনের বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।

তিনি বলেন, গুলিবিদ্ধ স্বজনকে অন্য আন্দোলনকারীদের সহায়তায় প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা দেয়া হয়নি। পরে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে যাত্রাবাড়ী এলাকায়ও তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আবুল বাশার অনিক ট্রাইব্যুনালকে জানান, ঢাকা মেডিকেলে প্রায় সাত ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর তার ভাইয়ের জ্ঞান ফিরলে তিনি প্রথমে জানতে চান, ‘হাসিনার পতন হয়েছে কি না।’ তাকে জানানো হয়, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন। তখন তিনি ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে মুচকি হাসেন।

পরদিন ৬ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ৭ আগস্ট গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তার এই সাক্ষ্যের মাধ্যমে তিনি দাবি করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলা, গুলিবর্ষণ ও তার ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য শামীম ওসমান ও অভিযুক্ত অন্যদের দায়ী করা উচিত। মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ট্রাইব্যুনাল তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট