1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
জিউস পুকুরকে আধুনিক দিঘিতে রূপান্তর করা হবে : নাসিক প্রশাসক - যুগের নারায়ণগঞ্জ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জিউস পুকুরকে আধুনিক দিঘিতে রূপান্তর করা হবে : নাসিক প্রশাসক মাদকের সাথে পুলিশের সখ্যতা: বন্দরে ৩ দারোগার বদলী নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা, প্রাণনাশের হুমকি বন্দরে ছিনতাইকারীদের হাতে যুবক নিহত, মামলা ফতুল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় রুবেল দেওয়ান গ্রেফতার ‘ওজু শেখানোর’ নাম করে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, রূপগঞ্জে ধর্মীয় শিক্ষক কারাগারে সদরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন দিগুবাবুর নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, জরিমানা ২৪ হাজার টাকা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র ফেডারেশনের মানববন্ধন রূপগঞ্জে পরিশোধনাগার: ৫০ কোটি লিটার পানি পাবে ২ সিটি

জিউস পুকুরকে আধুনিক দিঘিতে রূপান্তর করা হবে : নাসিক প্রশাসক

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ শহরের আখড়া এলাকার জিউস পুকুরকে আধুনিক দিঘিতে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

তিনি বলেন, জলাধার সংরক্ষণ, ধর্মীয় স্থাপনা উন্নয়ন এবং জনসাধারণের বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এলাকাটিকে একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে শহরের আখড়া এলাকায় জিউস পুকুর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমন্বিত উন্নয়নের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে একটি গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিউস পুকুরকে সংরক্ষণ করে এটিকে একটি বৃহৎ দিঘিতে রূপান্তর করা হবে। দিঘির চারপাশে ঘাটলা, ওয়াকওয়ে, রেলিং ও সিঁড়ির ব্যবস্থা থাকবে।

পাশাপাশি পানির মান উন্নয়ন করে মানুষের গোসল ও সাঁতার শেখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

নাসিক প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে মডেল মন্দির নির্মাণের প্রস্তাব এলেও জিউস দিঘিকে কেন্দ্র করেই সেই মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দিঘি ও মন্দিরের সমন্বয়ে এলাকাটিকে আরো সুন্দর, প্রাণবন্ত ও দর্শনার্থীবান্ধব করা হবে।

সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও ময়লায় ভরাট হয়ে থাকা পুকুরটি ইতোমধ্যে পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অবৈধ দোকানপাট অপসারণের পর ভারী যন্ত্রপাতি এনে খনন ও সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। অপসারণ করা ময়লা তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে যাতে পরিবেশ দূষণ না ঘটে।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, বর্তমানে জলাধারটি মশার প্রজননকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যা ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। পুকুরটি পরিষ্কার ও সংরক্ষণ করা গেলে জনস্বাস্থ্যের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরো বলেন, উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দিঘি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হবে।

স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে দিঘি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ময়লা-আবর্জনা ফেলে এর সৌন্দর্য নষ্ট করতে না পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট