1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
বন্দরে কথিত সাংবাদিক জি কে রাসেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লায় পুলিশের উপর হামলা, চাঁদাবাজদের ছিনিয়ে নিল সন্ত্রাসীরা উচ্ছেদ কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামালা, আসামি দেড়শ রূপগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদাবাজি: দল থেকে বহিষ্কার বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন নারায়ণগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদেরকে কঠোর বার্তা দিলেন র‍‍্যাব অধিনায়ক ফতুল্লায় ক্লাস চলাকালে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে আহত ৫ শিক্ষার্থী জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই এগোচ্ছে বিএনপি সরকার-এমপি কালাম বন্দরে কথিত সাংবাদিক জি কে রাসেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী শীতলক্ষ্যা নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার যানজট

বন্দরে কথিত সাংবাদিক জি কে রাসেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও ‘ফিটিংবাজি’র মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে জিকে রাসেল ওরফে ‘নোয়াখাইল্ল্যা রাসেল’-এর বিরুদ্ধে। বন্দরের র‍্যালী আবাসিক এলাকায় ভাড়ায় বসবাসকারী এই ব্যক্তির অব্যাহত অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাসেলের অতীত পেশা ছিল হোসিয়ারি শ্রমিক। তবে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের সময়কালে বন্দরের শিষ্য সন্ত্রাসী খাঁন মাসুদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ মিডিয়া শেল্টার দেওয়ার জন্য কয়েক বছর আগে একটি অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল খুলে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে জাহির করতে শুরু করেন তিনি। সাংবাদিকতার আড়ালে তিনি বন্দর র‍্যালী, আমিন আবাসিক, রুপালি, কলাগাছিয়া এবং বন্দর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় নিজস্ব তথ্যদাতা বা সোর্স নিয়োগ করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাসেল নিজেকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ঘনিষ্ঠ দাবি করে সরকারি দপ্তর ও প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে নিয়মিত টাকা আদায় করেন। তার প্রতারণার ধরন সম্পর্কে মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার এক ভুক্তভোগী জানান, “রাসেল আমাকে ইউএনও অফিস থেকে একটি সরকারি ডিপ টিউবওয়েল পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। খরচ বাবদ আমার কাছ থেকে ২০,০০০ টাকা নেয়। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর থেকেই সে উধাও। এখন তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

​স্থানীয়দের দাবি, রাসেলের মূল টার্গেট হলো এলাকার নিরীহ মানুষ এবং ছোট ব্যবসায়ী। কোথাও কোনো নতুন বাড়ির কাজ শুরু হলে বা কারও ব্যক্তিগত ঝামেলার খবর পেলেই তিনি সেখানে হাজির হন। এরপর ‘নিউজ করে দেওয়ার’ ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন, যা এলাকায় ‘ফিটিংবাজি’ হিসেবে পরিচিত। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই তার এই অনৈতিক দাবির মুখে টাকা দিতে বাধ্য হন এবং মুখ খুলতে সাহস পান না।

​বন্দর উপজেলার সচেতন মহলে রাসেলের এসব কর্মকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, রাসেলের মতো ভুয়া সাংবাদিকদের কারণে মূলধারার সৎ সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

​এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এই কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার প্রতারণার হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট