
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
৫-ই আগষ্টের পূববর্তী সময়ে দীর্ঘ ১৮ বছর নির্যাতন, নীপিড়ন, হামলা, মামালার স্বীকার হয়ে এক দুর্বিসহ জীবন যাওম অতিবাহিত করেছে বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। ঐ সময়টাতে এলাকায় ব্যবসা বানিজ্য তো দূরে থাক এলাকায় বসবাস করাটাই ছিল আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মন মর্জির উপর! ঐ সময়টাতে হরন করা হয়েছিল কথা বলার স্বাধীনতা, চালানো হয়েছিল অমানবিক নির্যাতন। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের সেই দুর্বিসহ স্মৃতি মনে পড়লে এখনো আতঁকে উঠেন অনেকে নির্যাতিত বিএনপির নেতাকর্মীরা।
অবশেষে, দীর্ঘ সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে ৫-ই আগষ্ট ছাত্র-জনতা-বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলনের তোপের মুখে পতন ঘটে স্বেরাচারী হাসিনা সরকারের। স্বেরাচারী সরকারের প্রধান হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পরই পলায়ন করেন দেশের প্রতিটি জেলার স্বেরাচারী হাসিনা সরকারের প্রত্ত্বাতারা! তেমনি ভাবে পালিয়ে যায় ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবলীগ ক্যাডার বিল্লাল, আলমগীর, খলিল, ছাত্রলীগের মান্নান, রমজান, শাহআলমসহ তাদের সহযোগিরা। তারা প্রত্যেকেই ছিলেন ফতুল্লার নতুন বাজার এবং মরা খালপার এলাকার নিয়ন্ত্রক!
তবে সম্প্রতি, স্থানীয় কিছু নামধারী বিএনপির পাতি নেতাদের ছত্রছায়ায় আবারো এলাকায় ফিরে আসতে শুরু করেছে স্বেরাচারী প্রেত্ত্বাতারা। ইদানিং এনায়েতনগর ইউনিয়নের নতুন বাজার, এতিম খানা এবং মরাখালপাড় এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের ইন্টারনেট ব্যবসা, ইটবালু ব্যবসাসহ বিভিন্ন ব্যবসাসহ এলাকার আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী দোসররা। ইদানিং নয়াবাজার মরাখালপার এলাকাসহ আশে পাশের এলাকায় নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে কয়েকটি সন্ত্রাসী বাহিনীও গঠন করা হয়েছে যুবলীগ ক্যাডার বিল্লাল, আলমগীর, খলিল, রমজান, শাহ্ আলমের নেতৃত্বে।
এমনকি স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে রটানো হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের কুৎসা! মাদক ব্যবসায়ী তকমা লাগিয়ে চালানো হচ্ছে বিভ্রান্তিকর প্রচার প্রচারবা। হঠাৎ করে স্বেরাচারী দোসরদের এমন আষ্ফালনে সাধারন মানুষদের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে স্বেরাচারী দোসররা এতবড় দুঃসাহস কোথা থেকে পাচ্ছে?? প্রশ্ন উঠেছে, তাদের পিছনের শেল্টারদাতাকে নিয়ে? দ্রুত সময়ের মধ্যে উল্লেখিত স্বেরাচারী দোসরদের বিষদাত ভেঙ্গে না দেয়া হলে দিনের পর দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবেন দোসররা! এমতবস্থায়, উল্লেখিত স্বেরাচারী দোসর বিল্লাল, খলিল, আলমগীর, রমজান, শাহ আলমদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলার সময় এসেছে বলেও নতুন বাজার ও মরা খালপারবাসী তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।
সে সাথে সকল ভেদাভেদ ভূলে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বেরাচারী দোষরদের বিষদাত ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য এখনই মুখ্য সময় বলেও এলাকাবাসী মনে করেন।
স্থানীয়া এলাকাবাসী শংকা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, মরাখালপার এলাকায় স্বেরাচারী দোসরদের আধিপত্যের দখলের পায়তারার কারনে যে কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটারও আশংকা করা হচ্ছে। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটার আগেই উল্লেখিত স্বেরাচারী দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সে সাথে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দও বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন সাধারন জনতা।
ফতুল্লা মডেল থানার (ওসি) মাহাবুব হোসেন বলেন, বর্তমানে সরকার কতৃক নিষিদ্ধ দল হচ্ছে আওয়ামীলীগ। আর নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা যদি কোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড ঘটিয়ে আইনশৃঙ্খলা অবনতির জন্য দায়ি থেকে থাকেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অব্যশই হার্ডলাইনে থাকবে। আর নীরিহ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সভা সমাবেশ করলেই যে তিনি মাদক ব্যবসায়ী হয়ে যাবেন এমনটাও ভাবার অবকাশ নেই। অবশ্যই যাচাই বাছাই করেই আমরা সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। এমনকি, কেউ যদি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থেকে থাকে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।