1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
খালেদাজিয়ার জন্য আমাদের কুরবান হয়ে যাওয়া উচিত-মুফতি.কাসেমী - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাবিতে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী অরূপের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ফতুল্লাবাসীকে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আমিনুল হাসান লিটন এনায়েতনগর ইউনিয়ন বাসীকে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন রূপগঞ্জে চাঞ্চল্যকর বাবু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত লতিফ গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ট সহচরসহ ৬ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার : র‌্যাব-১১ অধিনায়ক বন্দরে মব সৃষ্টি করে আসামি ‘ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৫ লঞ্চ টার্মিনালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, জরিমানা নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ বাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন এস আই কামরুল হাসান পিপি এম ৫ শতাধিক পরিবারকে ঈদ সামগ্রী বিতরন করলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাজীব

খালেদাজিয়ার জন্য আমাদের কুরবান হয়ে যাওয়া উচিত-মুফতি.কাসেমী

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেছেন, “নিজের ছেলে হারানোর জন্য যিনি কোনো ব্যথা বেদনা অনুভব করেননি, কিন্তু দেশের মানুষের জন্য কাঁদতে পারেন, সেই মায়ের জন্য আমাদের কুরবান হয়ে যাওয়াই উচিত। এজন্যই তার জন্য দোয়া করা দরকার।”

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় বাংলাবাজার এলাকায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে কাসেমী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার জন্য এত মায়া কেন লাগে? আমার খুব ভালো মনে আছে, এক সময় ছিল ফ্যাসিস্টের ভয়ে আমরা কথা বলতাম না। কথা বলতে চাইলেও বলতাম না। খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখা হতো, তার অফিসের সামনের রাস্তা বালির ট্রাক দিয়ে বন্ধ করা হতো। গোয়েন্দারা সমানে এদিকে সেদিকে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করতো। তখন খুব কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।”

কাসেমী স্মরণ করেন, সেই সময়ে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়। “সেই মুসিবতের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। তখন একজন নীর আলেম ছিলেন, নূর হোসাইন কাসেমী, হেফাজতের সংগ্রামী মহাসচিব। তাঁর সঙ্গে মিলে আমরা ছয় জনের পারমিশন নিয়েছিলাম এবং রাতের আঁধারে গিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে সুযোগ পেয়েছিলাম। রাত তখন পৌনে এগারোটা বাজে। সেখানে সেলিনা রহমানসহ বয়োজ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ একসাথে বসে কোরআন শরীফ, দোয়ার বই ও তাসবীহ তাহলীল পড়ছিলেন। প্রায় ৩০-৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন। সকলের মধ্যমণি ছিলেন গণতন্ত্রের মা হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া।”

‘প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াবার’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক সংগঠন ‘প্রচেষ্টা’র আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবির আহমেদ শহীদ। সঞ্চালনা করেন শিকদার বাসির চিশতী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট