যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেছেন, “নিজের ছেলে হারানোর জন্য যিনি কোনো ব্যথা বেদনা অনুভব করেননি, কিন্তু দেশের মানুষের জন্য কাঁদতে পারেন, সেই মায়ের জন্য আমাদের কুরবান হয়ে যাওয়াই উচিত। এজন্যই তার জন্য দোয়া করা দরকার।”
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় বাংলাবাজার এলাকায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে কাসেমী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার জন্য এত মায়া কেন লাগে? আমার খুব ভালো মনে আছে, এক সময় ছিল ফ্যাসিস্টের ভয়ে আমরা কথা বলতাম না। কথা বলতে চাইলেও বলতাম না। খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখা হতো, তার অফিসের সামনের রাস্তা বালির ট্রাক দিয়ে বন্ধ করা হতো। গোয়েন্দারা সমানে এদিকে সেদিকে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করতো। তখন খুব কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।”
কাসেমী স্মরণ করেন, সেই সময়ে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়। “সেই মুসিবতের দিনে খালেদা জিয়ার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। তখন একজন নীর আলেম ছিলেন, নূর হোসাইন কাসেমী, হেফাজতের সংগ্রামী মহাসচিব। তাঁর সঙ্গে মিলে আমরা ছয় জনের পারমিশন নিয়েছিলাম এবং রাতের আঁধারে গিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে সুযোগ পেয়েছিলাম। রাত তখন পৌনে এগারোটা বাজে। সেখানে সেলিনা রহমানসহ বয়োজ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ একসাথে বসে কোরআন শরীফ, দোয়ার বই ও তাসবীহ তাহলীল পড়ছিলেন। প্রায় ৩০-৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন। সকলের মধ্যমণি ছিলেন গণতন্ত্রের মা হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া।”
‘প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াবার’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক সংগঠন ‘প্রচেষ্টা’র আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবির আহমেদ শহীদ। সঞ্চালনা করেন শিকদার বাসির চিশতী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত