1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
আসামি গ্রেপ্তারে ক্ষোভ : জাকির খানের নাম ভাঙিয়ে থানায় হামলা, ফের মামলা - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টাস ক্লাবের শোক

আসামি গ্রেপ্তারে ক্ষোভ : জাকির খানের নাম ভাঙিয়ে থানায় হামলা, ফের মামলা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেইট এলাকায় সবুজ (৩৭) নামে এক যুবককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে উদ্ধারে থানায় গিয়ে পুলিশের ওপর হুমকি, গালিগালাজ ও অশোভন আচরণ—ঘটনার পর গোটা নগরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের উদাসীনতা ও দুর্বলতাকে দায়ী করে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

শনিবার বিকেলে সদর মডেল থানা পুলিশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাসুম ওরফে ‘সিআইডি মাসুম’ (৪১) এবং রাজুকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু খবর পেয়ে অর্ধশতাধিক লোক একযোগে থানায় ঢুকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা পুলিশ সদস্যদের ধাক্কাধাক্কি, গালমন্দ ও হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়—যা নিঃসন্দেহে আইনশৃঙ্খলার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

পুলিশ জানায়, হামসিক আচরণে জড়িত রনি ওরফে এডভান্স রনি, আলআমিন, শাহিন, মশিউর রহমান মশু, টাক্কু রাজুসহ সাতজনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা রুজু করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মামলায় ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ১৯ নভেম্বর রাতে ১নং রেলগেইট এলাকায় একটি টিনসেট ঘরে সবুজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি ঢাকা মেডিক্যালে মারা যান। নিহতের বাবা আবুল হোসেন সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সদর মডেল থানার ওসি নাছির আহম্মেদ বলেন, “হত্যা মামলার তদন্ত চলছে, আরও আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” থানায় হামসিক আচরণের ঘটনাতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

তবে নাগরিক সমাজ প্রশ্ন তুলছে—একটি থানায় এভাবে গণহুল্লোড় করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কিভাবে হয়? পুলিশি নিরাপত্তার অভাব ও প্রভাবশালী মহলকে প্রশ্রয়ের সংস্কৃতি—এই ঘটনার ভয়ংকর বাস্তবতা উন্মোচন করেছে। অনেকেই বলছেন, যদি থানায় পুলিশই নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে?

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি এখন জনমনে একটাই প্রত্যাশা—হত্যাকারী হোক কিংবা থানায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা—কেউ যেন আইনের বাইরে না থাকে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: DE IT