1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
খোলস পাল্টে বহাল তবিয়তে সেলিমের চাঁদাবাজি - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রশাসক মামুন মাহমুদের পরিদর্শনে ফতুল্লায় লাশ ধোয়ার ঘর ও অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড নির্মাণ তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস

খোলস পাল্টে বহাল তবিয়তে সেলিমের চাঁদাবাজি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
তৎকালীন সরকারের আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বল প্রয়োগ করে লামাপাড়া এলাকায় নোকা স্যান্ড নামক একটি ট্রাক স্যান্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয় সেলিম। এর পর শুরু হয় তার চাঁদা বানিজ্য। দেশের পট পরিবর্তন হলে কিছুদিন তার ঢাকার বাড়িতে গা’ঢাকা দিলেও পুনরায় আবার এলাকায় ফিরে এসে স্থানীয় বিএনপি নেতারদের দারস্থ হয়ে তাদের ছত্র-ছায়ায় আবারও শুরু করছে তার চাঁদা বানিজ্য।

২০১৫ সালে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সাংসদ শামীম ওসমান এর ক্যাডার বাহিনীর প্রধান নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্‌ নিজামের নেতৃতে গড়ে তোলে নোকা স্যান্ড নামক একটি ট্রাক স্যান্ড। তখন সেই সময় শাহ্‌ নিজামের সাথে ভালো সখ্যতা থাকায় নির্বাচন বিহীন সভাপতির পদটি লুফে নেয় পশ্চিম লামা পাড়ার বাসিন্দা মোঃ হাজী সেলিম। এর পর থেকেই পুরো স্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সেলিমের হাতে। শুরু হয় সেলিমের চাঁদা বানিজ্য।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়,২০১৫ সাল থেকে একটানা এখনও পর্যন্ত কোন নির্বাচন ছাড়াই দলীয় বল প্রয়োগ করে সভাপটি পদটি আকড়ে ধরে বসে আছেন সেলিম। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নিয়ম-কানুন তৈরি করে তার ইচ্ছে মতো ধার্য্য করা হতো চাঁদার পরিমান। কোন গড়ি তার এই স্যান্ডে ভর্তি হতে হলে ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তি ফি দিতে হয় এবং প্রতিটি গাড়ির জন্য লাইন চার্জ হিসেবে দেওয়া লাগে ২ হাজার টাকা করে। এইসব টাকা উত্তলোনের জন্য আতাউর ও হারুন নামের দুইজন লাইনম্যান নিয়োগ করা আছে যাদের দ্বারা পুরো স্যান্ড পরিচালনা করেন সেলিম।

অনুসন্ধান বলছে, দেশেরপট পরিবর্তনের পর,পরই সেলিম তার ঢাকার বাড়িতে কিছুদিনের জন্য গ’ঢাকা দেয়। তবে,আবারও লামাপাড়ায় ফিরে শুরু করেছে তার চাঁদা বানিজ্য। এইবার আর আওয়ামী লীগ নয় বরং এইবার দারস্থ হয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাদের। লামাপাড়ার স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে আতায়াত করে এলাকায় ফিরেছে সেলিম।

স্যান্ডের চালক ও মালিকদের অভিযোগ,দির্ঘদিন যাবৎ সেলিম আমাদের তার নানা অনিয়ম বন্ধী করে রেখেছে। তার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা হামলার স্বীকার হতে হতো। সরকার পরিবর্তনে ভেবছিলাম নতুন নেতৃতে আমরা সব কিছু নতুন করে শুরু করতে পারবো একটু স্বস্তি ফিরে পাবো কিন্তু তা আর হলোনা। সে আবার নতুন করে বিএনপি’র নেতাদের সাথে টাকার বিনিময়ে আতায়ায় করে পুনরায় স্যান্ড তার দখলে নিয়ে বহাল তবিয়তে তার চাঁদা বাজিন্য চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তার এমন কর্মকান্ডে কেউ বাধা দিতে গেলেই হামলা-মামলার ভয়ভিতি দেখিয়ে তাদের ভীত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: DE IT