1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
শহরে শেখ রাসেল পার্ক একমাত্র স্বস্তি-নিঃশ্বাসের স্থান : আইভী - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টাস ক্লাবের শোক পঞ্চায়েত মাতবর ও বিএনপির সাথে বিল্লালের আতাঁত, কায়েম করেছে ত্রাসের রাজত্ব! মাকে হারালেন সাংবাদিক তানভীর হোসেন আওয়ামী দোসর রাজ্জাকের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি, সর্বত্র সমালোচনার ঝড় ব্যর্থ নারায়ণগঞ্জের ৫ এমপি! ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পরিবেশের উন্নতি হয়েছে দাবি নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াতের বন্দরে গ্যাস বিষ্ফোরন: মা-বাবার পর মৃত্যুর কাছে হার মানলেন শিশু মিম বন্দরে শিশুকে যৌন হয়রানি, গ্রেপ্তার ১ বন্দরে সাঁজাপ্রাপ্ত আসামী মানিক গ্রেপ্তার আলীগঞ্জে পিলারের মাটি কাটার বিষয়ে যা জানা গেল!

শহরে শেখ রাসেল পার্ক একমাত্র স্বস্তি-নিঃশ্বাসের স্থান : আইভী

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নগরীতে ‘সবুজ শ্যামল জনপদ, শহর হবে নিরাপদ’ স্লোগানে বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টায় দেওভোগ শেখ রাসেল পার্কে সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০টি তাল গাছ রোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হারুণ অর রশিদ, আল আমি মোল্লা, মাসুম, কামরুল হুদা, শামসুল হক প্রমুখ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর এক পর্যায়ে মেয়র আইভী বলেন, শহরের একমাত্র স্বস্তি নিঃশ্বাসের স্থান শেখ রাসেল পার্ক। নোংরা বস্তি থেকে পরিবেশ বান্ধব পার্ক নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করেছে সিটি কর্পোরেশন। দলমত নির্বিশেষে পার্কের নাম করা হয়েছে শেখ রাসেলের নামে। আগে পার্ক করেছি তারপর ট্রাষ্ট্রের থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে। স্বস্তি নিঃশ্বাসের অন্যতম শীতলক্ষ্যা নদীটি প্রায় মৃত। মানুষ তাদের স্বস্তি নিঃশ্বাস ফেলতে কোন পার্ক ছিলো না। ২০০৪ সাল থেকে এখানে সাধারণ মানুষের জন্য পার্ক করার পরিকল্পনা করে ছিলাম। একমাত্র ফ্রেশ অক্সিজেনের জন্য পার্ক করার উদ্যোগ নেই। তৎকালীন রেলমন্ত্রী আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন।

আইভী আরোও বলেন, পার্ক নির্মাণে পর সাধারণ মানুষ পরিবার নিয়ে এখানে সময় কাটাতে আসছেন। শেখ রাসেল পার্কের চারিদিকে প্রচুর গাছ রয়েছে, এতে অনেক হাওয়া বাতাস বয়ে যায়। পার্কে ভিতরে বিভিণ্ন সংগঠন ও স্কুল থেকে বৃক্ষরোপণ করেছেন। সাধারণ মানুষ অনেক গাছ পরিচর্যা করেন এটা দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। এই প্রচন্ড গরমে, টেম্পারেচার মেশিন চাষাঢ়া থেকে শেখ রাসেল পার্কে ২/৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম তাপ ছিলো। পার্কে প্রবেশে কোন টাকা নেয়া হয় না। অনেকে বলেছিলো সামান্য টাকা নেয়ার জন্য, আমি সেটাও করি নাই। এখান থেকে টাকা কামাতে হবে এমন অর্থ প্রয়োজন নাই। প্রতিদিন সকালে ডায়াবেটিস, হার্টের রোগি ও সাধারণ মানুষ হাটা হাটি করে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট