1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
১২ মাসই পানির নিচে তক্কার মাঠ -পিলকুনি সড়ক! - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টাস ক্লাবের শোক

১২ মাসই পানির নিচে তক্কার মাঠ -পিলকুনি সড়ক!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
দেশজুড়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলেও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাস্তবতা যেন ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে। তক্কার মাঠ থেকে পিলকনি পাঁচতলা মোড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বছরের ১২ মাসই পানির নিচে তলিয়ে থাকে, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃষ্টি হোক বা না হোক—সড়কজুড়ে জমে থাকা পানি আর নোংরা বর্জ্যে একপ্রকার স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় সড়কটি এখন কার্যত একটি স্থায়ী ডোবায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা, এই দূষিত পানির ওপর দিয়েই চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি দেখা যায় স্কুল চলাকালীন সময়ে। কোমলমতি শিশুরা বইয়ের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে পচা ও নোংরা পানির মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে করে তারা চর্মরোগ, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সমস্যাটি দীর্ঘদিনের হলেও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বারবার জানানো সত্ত্বেও ড্রেন পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশন বা সড়ক সংস্কারের মতো জরুরি পদক্ষেপ আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের সন্তানরা প্রতিদিন নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে স্কুলে যায়। আমরা কি এই দেশের নাগরিক নই? নির্বাচনের সময় আশ্বাস দিলেও এখন জনপ্রতিনিধিদের খুঁজে পাওয়া যায় না।”

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা ও ইজিবাইক চালকরাও এই সড়ক এড়িয়ে চলছেন। ফলে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটেই যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, লোক দেখানো প্রতিশ্রুতি নয়—টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও দ্রুত সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট