1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
বন্দরে ‘ব্লাক জনি’ আতঙ্ক: ২০ মামলার আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে, মাদক সাম্রাজ্য নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টাস ক্লাবের শোক

বন্দরে ‘ব্লাক জনি’ আতঙ্ক: ২০ মামলার আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে, মাদক সাম্রাজ্য নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এক কুখ্যাত অপরাধীকে ঘিরে।

‘ব্লাক জনি’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকসহ অন্তত ২০টি মামলা থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরেই গ্রেফতারের বাইরে রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তার নিয়ন্ত্রণেই এলাকায় গড়ে উঠেছে একটি বিস্তৃত মাদক নেটওয়ার্ক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বন্দর উপজেলার সুচিয়ারবন্দ এলাকার বাসিন্দা এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খাতায় তিনি পলাতক আসামি হলেও স্থানীয়দের দাবি—তিনি প্রকাশ্যেই এলাকায় চলাফেরা করছেন।

বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া, একরামপুর, সোনাকান্দা, ইস্পাহানী ও মুছাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে তার নেতৃত্বাধীন মাদক সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থানে দিন-রাত মাদক বেচাকেনা চলছে এবং এতে জড়িয়ে পড়ছে স্থানীয় কিশোরদের একটি অংশ।

‘কিশোর গ্যাং’ ব্যবহার করে মাদক পরিবহন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথাও বলছেন এলাকাবাসী।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় থানা পুলিশের একটি অংশের বিরুদ্ধে।

বাসিন্দাদের দাবি, ব্লাক জনির মাদক কার্যক্রম ও অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ অবগত থাকলেও তাকে গ্রেফতারে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

বরং নিয়মিত ‘মাসোহারা’ লেনদেনের মাধ্যমে তাকে আড়াল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সম্ভাব্য অভিযানের তথ্য আগাম ফাঁস হওয়ার অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।

এ বিষয়ে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা জানি সে কোথায় থাকে, কীভাবে চলে—এসব তথ্য গোপন নয়। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় আমরা হতাশ, কেউ পুলিশকে তথ্য দিলে সেই তথ্য বিক্রি করে ব্লাক জনির কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করেন পুলিশের অসাধু প্রায় সকালেই। ফলে পুলিশ কে কেউ তথ্য দিয়ে বিপদে পরতে চায় না ।”

যার কারণে এলাকার অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

তারা বলছেন, সহজলভ্য মাদকের কারণে কিশোর-যুবকদের একটি অংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দায়িত্বশীল মহলের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন এবং যদি সত্যতা পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

স্থানীয়দের দাবি, মাদক নির্মূল ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বড় অপরাধচক্রের মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দিয়েছেন তারা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট