1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

বিএনপিতে ফেরার পথ বন্ধ তাদের!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির বেশকজন প্রবীণ নেতার রাজনীতিতে বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। যাদের অনেকের বিএনপিতে ফেরাও অনিশ্চিত। কেউ কেউ বয়সের ভারে নুব্জ হয়ে পড়েছেন। অনেকে বিএনপির রাজনীতিতে বহাল থাকলেও রাজনীতিতে প্রভাব ফিরে পাওয়াটাও দূরহ হয়ে পড়েছে। রাজনীতির শেষ বয়সেও এই নির্বাচনে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন অনেক প্রবীণ ও সিনিয়র বিএনপি নেতা।

এদিকে, বিএনপির সাবেক নেতা তৈমূর আলম খন্দকারের রাজনীতিতে শেষ পেরেক ডুকেছে অনেক আগেই। বিএনপিতে ফিরছেন ফিরবেন আলোচনায় থাকলেও তিনি বিএনপিতে ফেরার কোনো চেষ্টাই করেননি। অপেক্ষায় ছিলেন নির্বাচনের আগে দল থেকে তাকে ডেকে নেয়া হবে। কিন্তু সেই আশা তার গুড়েবালি।

স্থানীয়দের সূত্রে, ২০২২ সালে দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় বহিষ্কৃত হোন তৈমূর আলম খন্দকার। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৃণমুল বিএনপি নামক দলের মহাসচিবের দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আরো বিতর্কের জন্ম দেন তিনি। নির্বাচনের পর তৃণমুল বিএনপি ছাড়লোও বিএনপি থেকে আর ডাক পাননি তিনি। সম্প্রতি প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মীদের নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে আলোচনায় এসছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি ডাক পাননি। এখন নির্বাচন শেষ, বিএনপিতে ফেরা তার জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যদিও সেটা দেশের ভবিষৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

বয়সের ভারে নুব্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। জীবনের শেষ বয়সে দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হলেন তিনি। তার জন্য বিএনপির রাজনীতিতে ফেরা প্রায় অসম্ভব। একই দশা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের। তিনিও দলের বাহিরে গিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। একই সঙ্গে তার দুই পুত্র জিএম সাদরিল ও কাউসার রিফাতকেও বিএনপি থেকে বহিষ্কার করেছে। অনেকে মনে করছেন এই পরিবারের বিএনপির রাজনীতিতে ফিরাটাও কঠিন সমীকরণের উপর নির্ভর করবে।

রাজনীতিতে বিদায় ঘন্টা শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলমের। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। এই নির্বাচনে তিনি দলের বাহিরে গিয়ে নির্বাচন করায় দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। আদৌ তিনি রাজনীতি করবেন কিনা সেটা নিয়েও রয়েছে বিরাট প্রশ্ন। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচন করেছেন বিএনপির সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। তিনিও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিমের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার আবু জাফর। তার রাজনীতিও এখানেই শেষ।

তবে বিএনপির রাজনীতিতে বহাল থাকলেও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানের রাজনীতিতেও শেষ পেরেক ঠুকেছে। মহানগরীর আসনে এমপি হয়েছেন আবুল কালাম। মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই আসছে। আলোচনায় আহ্বায়ক পদে আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও সদস্য সচিব আবুল কাউসার আশা রয়েছেন। এই কমিটি হয়ে গেলে সাখাওয়াতের রাজনীতির কবর রচিত হবে। একই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের মনোনয়ন বা সমর্থন প্রত্যাশি হিসেবে হোচট খাবে। ফলে এখানেই শেষ সাখাওয়াতের রাজনীতি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি পদে থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বহিষ্কার হয়েছেন মাজেদুল ইসলাম। তার রাজনীতিও শেষ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট