1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
বিএনপির ভেতরে বিদ্রোহের চাপ, জামায়াত জোটে আসন সমঝোতা ব্যর্থ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে সর্বত্র ডাকাত আতংক! বার প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা, সর্বত্র সমালোচনা—ক্ষুব্ধ আইনজীবীরা ফতুল্লায় ঝুট নামানোক কেন্দ্র করে বিসিকে উত্তেজনা! পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন ইসলামী যুব আন্দোলন সামাজিক অস্থিরতা রোধে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-মাও.জব্বার ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ‘ত্বকী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত নারী আইনজীবিকে হেনস্থা করলেন টিপু! হকার উচ্ছেদেও কমছে না শহরের যানজট? শহরে যুবলীগের গোপন বৈঠকে পুলিশের হানা, আটক ৩ মাদকের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রূপগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলি

বিএনপির ভেতরে বিদ্রোহের চাপ, জামায়াত জোটে আসন সমঝোতা ব্যর্থ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনি লড়াই জটিল আকার ধারণ করেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা না হওয়ায়। মোট ৪৮ জন প্রার্থী মাঠে থাকলেও চারটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিপক্ষে একাধিক স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় দলীয় রাজনীতিতে অস্বস্তি বাড়ছে। পাশাপাশি দুটি আসনে জামায়াতসহ জোটভুক্ত একাধিক দলের প্রার্থী থাকায় ঐক্য গড়ে ওঠেনি।

ইতোমধ্যে চার ডজনের বেশি প্রার্থী পূর্ণোদ্যমে প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন, যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা, হুমকি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এলাকাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জ-১ ও ২ আসনে সাতজন করে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হিসেবে দাঁড়ানো নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবুও তারা নির্বাচনি মাঠ ছাড়েননি, যা বিএনপির ভোটের অঙ্ককে জটিল করে তুলেছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের শরিক দলকে প্রার্থী দেওয়ায় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক নেতাকর্মীর দাবি, ধানের শীষের প্রার্থী না থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বলছেন, তৃণমূলের সমর্থন তাদের পক্ষেই রয়েছে এবং তারাই বিজয়ী হবেন।

জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের ভেতরেও সমঝোতার অভাব স্পষ্ট। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী সরে দাঁড়িয়ে অন্য জোট প্রার্থীকে সমর্থন দিলেও বাকি আসনগুলোতে একাধিক প্রার্থী রয়ে গেছেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের দুই প্রার্থী আলাদা দাবি তুলে ধরায় বিভক্তির চিত্র আরও প্রকট হয়েছে।

সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী, জোটগত দ্বন্দ্ব এবং সহিংসতার অভিযোগ নির্বাচনি পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই জটিল সমীকরণ ভোটের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট