
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (বন্দর-সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপি, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ১২ জন।
এর মধ্যে আলোচনায় আছেন বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সিরাজুল মজিদ মামুন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তারা তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয়ের বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।
হলফনামা অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ৪ হাজার ৫১২ টাকা। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী হলেও এখান থেকে তার কোনো আয় নেই।
বিএ, এলএলবি পাশ আবুল কালাম তার হলফনামায় উল্লেখ করেন, তার বিরুদ্ধে মোট ৭টি মামলা ছিল, যেগুলো থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে বছরে আয় করেন ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৩ টাকা। তার কাছে নগদ অর্থের পরিমাণ ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ১০৬ টাকা এবং স্ত্রীর নিকট নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১১ টাকা। তার লাইসেন্সকৃত একটি রিভলভার ও একটি বন্দুক রয়েছে। ৮৮ লাখ টাকা মূল্যের তার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। স্থাবর সম্পত্তির মূল্য আড়াই কোটি টাকা। ২৫ লাখ টাকা দেনা রয়েছে তার। নিজ নামে রয়েছে ২১৫ শতাংশ জমি।
ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন পেশায় একজন শিক্ষক। তার চেয়ে স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ বেশি। তার মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ৭৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯৬ টাকা। স্ত্রীর মোট সম্পদ এক কোটি ৫২ লাখ ৩৫ হাজার ৬১৪ টাকা। নগদ টাকা এক লাখ ৭৮ হাজার ৪২৯ টাকা। বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যাংকে কোনো টাকা জমা নাই। তার দেনা আছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। তার ৪টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
স্বশিক্ষিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেনের মোট সম্পদ ২ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫৫ টাকা। তার নগদ টাকার পরিমাণ ৮৬ লাখ এক হাজার ৬১৩ টাকা। ব্যাংকে জমা ১০ হাজার টাকা। তার ৪৮০ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা চলমান। ৮টি মামলায় খালাস পেয়েছেন তিনি।