1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
কিলিং মিশনের পরিকল্পনা আক্তার-সুমনের: খুনীঁর স্বীকারোক্তি - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদির সাথে মিল রেখে ফতুল্লায় ঈদ উদযাপন সিদ্ধিরগঞ্জে অসহায়দের ঈদ সামগ্রী বিতরন ফতুল্লাবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান শিক্ষিকা লুৎফুন নেছা ম্যাডাম এনায়েতনগর ইউপির ১নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মেম্বার প্রার্থী ওসমান ফতুল্লায় অসহায়দের মুখে হাসি ফুটালেন রিয়াদ চৌধুরী নারায়ণগঞ্জবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন নারায়ণগঞ্জবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান বাদল ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা সোহেল আহাম্মেদ ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা আব্দুর রহিম ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা নিয়াজ মোহাম্মদ মাসুম

কিলিং মিশনের পরিকল্পনা আক্তার-সুমনের: খুনীঁর স্বীকারোক্তি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মামুন হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতারকৃত আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ নামের একজন অপরাধী।

আজ মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হায়দার আলীর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে আরিফ ।

আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪) রংপুর জেলার গঙ্গাচরার রাজভল্লবের ইসমাইলের পুত্র।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইয়ুম খান জানান, আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি।

এর আগে সোমবার রাতে তাকে ফতুল্লা থানার মাসদাইর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এমন ঘটনা বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফুল ইসলাম জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও কিলিং স্কোয়াডের সাথে সম্পৃতক্তার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সোমবার রাতে মাসদাইর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের নিকট আরিফ বিষয়টি স্বীকার করে জানায় যে, প্রায় ১৫ দিনেরও বেশী সময় ধরে নিহত মামুনের গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছিল এবং আরিফ সব সময় মামুনের অবস্থান অপর একটি পার্টিকে জানিয়ে দিত। ঘটনার রাতে সে ঘটনাস্থলের পাশে থেকে সকল কিছু কিলিং মিশনের অপর গ্রুপকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেয়। গুলি করে হত্যার পর কিলিং মিশনের সদস্যরা (আক্তার-সুমনের) বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাকে ও ফোন করে চলে যেতে বলে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট