1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
কে এম সফিউল্লাহের জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মীর সোহেল আলী ফতুল্লায় পলাতক আসামি রফিকুস সালেহীন গ্রেপ্তার ফতুল্লাবাসীকে সাংবাদিক সুজনের ঈদ শুভেচ্ছা সৌদির সাথে মিল রেখে ফতুল্লায় ঈদ উদযাপন সিদ্ধিরগঞ্জে অসহায়দের ঈদ সামগ্রী বিতরন ফতুল্লাবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান শিক্ষিকা লুৎফুন নেছা ম্যাডাম এনায়েতনগর ইউপির ১নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মেম্বার প্রার্থী ওসমান ফতুল্লায় অসহায়দের মুখে হাসি ফুটালেন রিয়াদ চৌধুরী নারায়ণগঞ্জবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন নারায়ণগঞ্জবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান বাদল

কে এম সফিউল্লাহের জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
কে এম সফিউল্লাহের জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল
নারায়ণগঞ্জ: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) কে এম সফিউল্লাহ বীর উত্তম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রথম জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) জোহর নামাজের পর নিজ বাড়ি রূপগঞ্জের কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান ছিলেন তিনি।
রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কে এম সফিউল্লাহর ব্যক্তিগত সহকারী জিয়ার রহমান মনি জানান, রোববার জোহর নামাজের পর নিজ বাড়ি রূপগঞ্জের কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারাসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন রণাঙ্গনের এ বীর। ডায়াবেটিস,হাইপারটেনশন, থাইরয়েডে জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে এম সফিউল্লাহ। ১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে একটিতে নেতৃত্ব দেন সফিউল্লাহ। তার নামানুসারে সেই ফোর্সের নাম ছিল ‘এস’ ফোর্স। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ‘বীর উত্তম’ (দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার) খেতাবও পান তিনি।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন সফিউল্লাহ। পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ১৯৯১ সালে দেশে ফিরে এলে তাকে এক বছর ওএসডি করে রাখা হয়। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট