1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
গা ডাকা দিয়েছে না.গঞ্জ আ'লীগ! - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে সর্বত্র ডাকাত আতংক! বার প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা, সর্বত্র সমালোচনা—ক্ষুব্ধ আইনজীবীরা ফতুল্লায় ঝুট নামানোক কেন্দ্র করে বিসিকে উত্তেজনা! পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন ইসলামী যুব আন্দোলন সামাজিক অস্থিরতা রোধে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-মাও.জব্বার ত্বকী হত্যার বিচারের দাবিতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ‘ত্বকী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত নারী আইনজীবিকে হেনস্থা করলেন টিপু! হকার উচ্ছেদেও কমছে না শহরের যানজট? শহরে যুবলীগের গোপন বৈঠকে পুলিশের হানা, আটক ৩ মাদকের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রূপগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলি

গা ডাকা দিয়েছে না.গঞ্জ আ’লীগ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা সবাই গাঢাকা দিয়েছেন। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জেলা কিংবা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কোনো নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে না। দুঃসময়ে দলের নেতাদের পাশে না পেয়ে ক্ষুব্ধ মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।

আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলেন, টানা ১৬ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। অথচ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার প্রভাবশালী নেতারা সবাই গাঢাকা দিয়েছেন। এতে দলের দুরবস্থার চিত্র প্রকট হয়ে উঠেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জান-মালের কোনো নিরাপত্তা নেই। এমন পরিস্থিতিতেও নারায়ণগঞ্জের নেতাদের কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না সাধারণ নেতাকর্মীরা। সাধারন নেতাকর্মীরা সিনিয়র নেতাদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, দলের কঠিন পরিস্থিতিতে সামনে এগিয়ে এসে নেতাকর্মীদের সাহস জোগানোর মতো একজন নেতাও কি নেই?

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন দলের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতারা সবাই আত্মগোপনে রয়েছেন। ক্ষমতায় থাকার সময় দলীয় কর্মসূচী পালনকালে নেতাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা লেগে থাকত, আর এখন দলের পক্ষে কথা বলার একজন নেতাও নেই।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, দলের সিনিয়র নেতারা তেমন কেউ দেশ ছেড়ে যেতে পারেননি। সবাই এলাকাতেই গা ঢাকা দিয়ে আছেন। প্রভাবশালী নেতারা মামলা ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজন এরই মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছেন। এতে তাঁরা ভয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলছেন না, দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন না।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগের জেলার নেতারা কেউ প্রকাশ্যে আসেননি। জামায়াত, বিএনপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভয়ে তাঁরা মাঠে নামেননি। দলীয় কর্মসূচীগুলোতে কোনো বিবৃতি বা ভিডিও বার্তা না দেওয়ায় নেতাদের সমালোচনা করেন সাধারন কর্মীরা।

কর্মীরা বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একটি দল। এই দলে এত এত নেতা, কেউ একটি বিবৃতি বা ভিডিও বার্তা দিতে পারলেন না। অথচ বিএনপি আত্মগোপনে থেকে প্রেস রিলিজ, ভিডিও বার্তা নিয়মিত দিতেন। জেলার প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধে অনেকেই এখন মুখ খুলছেন। বিশেষ করে নেতাদের সমালোচনা করে ফেসবুকে অনেকে পোস্ট দিচ্ছেন। নেতাকর্মীরা তাঁদের সঙ্গে ঘটা নানা অন্যায়-অবিচারের কথাও প্রকাশ করছেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জেলার একাধিক নেতা বলেন, নেতাকর্মীদের অভিযোগ তো আর মিথ্যা নয়। আমাদের তো দোষত্রুটি আছেই। তবে এখন এগুলো বলে নিজেদের মধ্যে বিভক্তির সময় নয়। আমরা আসলে প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় নিচ্ছি। অতীতেও জেল-জুলুম খেটেছি। এগুলোর জন্য ভয় পাই না। তবে মাঠে নামার আগে নিজেদের তো কিছুটা আলাপ করে নিতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট