1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার আর নেই-যুগের নারায়ণগঞ্জ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারাবো পৌরসভা: ১০ দিন ধরে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ লাখো মানুষ বন্দরে কোস্টগার্ডের জন্য ৫টি পেট্রোল ভেসেল নির্মাণ শুরু বন্দরে ডেকে এনে যুবক অপহরণ, আটক এক স্কুল ফাঁকি দিয়ে সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসলে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু বন্দরে ফ্ল্যাট থেকে নারীর গলাকাটা লাশ, স্বামী পলাতক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের শোক ২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক তানভীরের মায়ের মৃত্যুতে রিয়াদ চৌধুরীর শোক প্রেস বিজ্ঞপ্তি নাসিকে’র সাথে চায়না হারবারের মতবিনিময়ে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের আশ্বাস তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে ফতুল্লা রিপোর্টাস ক্লাবের শোক

শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার আর নেই-যুগের নারায়ণগঞ্জ

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩
  • ১০১৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ লেখক, গবেষক, শিশু সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য পান্না কায়সার (৭৩) আর নেই। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সম্পাদক রাজন ভট্টাচার্য এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পান্না কায়সার খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ছিলেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী ছিলেন পান্না কায়সার। তিনি অভিনেত্রী শমী কায়সারের মা। তাঁর আরেক সন্তানের নাম অমিতাভ কায়সার।
পান্না কায়সারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক জানিয়েছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বাদ জুমা রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে পান্না কায়সারের প্রথম জানাজা হবে। জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় নেওয়া হবে। সেখানে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। পরে তাঁর মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আগামী রোববার বেলা ১১টায় তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। বেলা একটা পর্যন্ত তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। এদিন বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা হবে। দাফনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
পান্না কায়সারের জন্ম ১৯৫০ সালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেন। পেশা হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন শিক্ষকতা। তিনি খেলাঘর, উদীচীসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। লেখালেখির জগতে পান্না কায়সারের প্রবেশ ১৯৯১ সালে। তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘মুক্তিযুদ্ধ: আগে ও পরে’। তাঁর অন্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘মুক্তি’, ‘নীলিমায় নীল’, ‘হৃদয়ে একাত্তর’, ‘আমি ও আমার মুক্তিযুদ্ধ’, ‘মুক্তিযুদ্ধ-সমগ্র’, ‘একাত্তরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার’, ‘মুক্তিযুদ্ধের কথকতা’, ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ প্রভৃতি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট