1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশ বলছে পলতাক: আড়াইহাজারে অস্ত্র মামলার আসামি ও সাবেক ছাত্রদল নেতার শোডাউন আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে এমন কোন শক্তি নেই পরাজিত করবে-এড.সাখাওয়াত খেজুর গাছ বিজয়ী হলে তারেক রহমান বিজয়ী হবে-কাসেমী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হবে-ডিসি রূপগঞ্জে দুই সাংবাদিকদের উপর হমলা, গ্রেপ্তার-১ আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চারজন ত্রয়োদশ নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ: দুটি আসনে নির্ভার বিএনপি তিনটিতে বিদ্রোহ নারায়ণগঞ্জ-৩: নির্বাচনী উত্তাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস ফতুল্লায় মব সৃষ্টির চেষ্টা: প্রতিবাদ করায় বোমা নিক্ষেপ আড়াইহাজারে যৌথ অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও নগদ অর্থসহ ৪ জন আটক

শৈলকূপায় ভাগিজাসহ ৩ শিশু কে পুড়িয়ে মারার দায়ে চাচার মৃত্যুদন্ড

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩
  • ১৫২ বার পড়া হয়েছে

শৈলকুপায় ভাতিজাসহ ৩ শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

মনিরুজ্জামান সুমনঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাতিজাসহ তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে চাচা ইকবাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো নাজিমুদ্দৌলা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইকবাল হোসেন শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর গ্রামের মো. গোলাম নবীর ছেলে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শৈলকুপার কবিরপুর গ্রামের আসামি ইকবালের সঙ্গে তার বাবা গোলাম নবীর টাকা সংক্রান্ত লেনদেন নিয়ে বিরোধ হয়। এরই জের ধরে ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আসামি ইকবাল কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজের ঘরে ভাতিজা সাফিন, আমিন ও ভাগ্নে মাহিনকে ডেকে নেয়। এরপর তাদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে, গ্যাসের সিলিন্ডার খুলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাফিন ও আমিন দগ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভাগ্নে মাহিনও মারা যায়। এ ঘটনায় সাফিন ও আমিনের বাবা দেলোয়ার বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পূর্ব তদন্ত কর্মকর্তা শৈলকূপা থানার সাবেক সেকেন্ড অফিসার এস আই ইমদাদুল তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি ইকবালকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় একমাত্র আসামি ইকবালকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে। আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

নিহতের মামা সাইফুল ইসলাম জানান, ছোট ছোট বাচ্চাদের কোনো অপরাধ ছিল না। ওদের বাবার সঙ্গেও আহামরি কোনো রকম দ্বন্দ্ব ছিল না। তারপরও তাদেরকে ফুসলায়ে ঘরের ভিতর নিয়ে হাতুর দিয়ে মেরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। আদালত যে রায় দিয়েছে এই রায়ে আমাদের পরিবার সবাই সন্তষ্ট।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী (পিপি) ইসমাইল হোসেন বলেন, আসামি ইকবাল ঘরের ভিতর নিষ্পাপ তিনটি শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যার পর আসামির বিচারেরর দাবিতে শৈলকুপাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিচার চেয়ে মানববন্ধন করে শিশুদের স্বজনেরা। আজ বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত আসামিকে যে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে তাতে আমরা সন্তষ্ট প্রকাশ করছি। এই ঘটনার মধ্যদিয়ে শিক্ষণীয় বিষয় হলো সমাজে এমন নির্মম ঘটনা যেন আর না ঘটে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট