
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ফতুল্লার কোতালেরবাগ এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় হৃদয় নামে এক ওয়েষ্ট্রিজ ব্যবসায়ীকে মারপিট ও কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে কোতালেরবাগ এলাকায় রেললাইনের কাছে যেখানে সেচ্ছাসেবকদল নেতা মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয় সেখানেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত হৃদয় (৩৮) ফতুল্লার সস্তাপুর গাবতলা এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সে কোতালেরবাগ এলাকায় তাদের আরেকটি বাড়িতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।
এলাকাবাসী জানান, মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন হত্যা মামলায় ফাসিতে মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়া এক্সেল কামালের সহযোগী কোতালেরবাগ এলাকার পাকিস্তানী খাদের হাবিব (৪৬)। সে তার ছেলে ইমন (২৩) গত বছর জুলাইয়ের পর পাকিস্তানী খাদে বিশাল বাহিনী গড়ে তুলেন। এ বাহিনী দিয়ে পাকিস্তানী খাদে জুয়ার বোর্ড চালায়, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেন। এছাড়া সন্ধারপর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের উভয় পাশে ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই করায়। তাদের ভয়ে কেহ টুশব্দ করতে পারেনা।
ব্যবসায়ী হৃদয় জানান, গত ৪ মার্চ দুপুরে হাবিবের ছেলে ইমন দলবল নিয়ে আমাদের কোতালেরবাগ বাড়ীর সামনে মাদকসেবন করছিলেন। এসময় আমি ও আমার স্ত্রী কাজিন ফাতেমা চৈতী তাদের মাদক সেবন করতে নিষেধ করি। এতে তারা আমাকে ও আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধর করিতে উদ্যত হয়। এঘটনায় শুক্রবার রাতে বাসায় ফেরার পথে হাবিব কাছে দাড়িয়ে ছিলেন তার ছেলে ইমন ও তাদের বাহিনীর অন্তত ১০/১২ জন পথরোধ করে আমাকে এলোপাথারী মারধর করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেয়। তখন জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়েগেলে তারা মৃত্যু ভেবে পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ পাকিস্তানী খাদে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, এবিষয়ে মামলা নেয়া হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।