
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
সবে মাত্র বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন সেক্টর দখল নিয়ন্ত্রণে মগ্ন হয়ে উঠেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন। সম্প্রতি তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদের নাম বিক্রি করে ইয়াস্টার জেন্টস বিডি লিঃ এর ৩টি ফ্যাক্টরী একইসঙ্গে দখলে নিয়েছেন।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, ইপিজেডে লাইসেন্স করে ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম থাকলেও মনির অন্যের লাইসেন্স ব্যবহার করে ইয়াস্টার জেন্টস বিডি লিঃ এর তিন ফ্যাক্টরী দখল করতে চাচ্ছেন। ইয়াস্টার জেন্টস বিডি লিঃ এর তিনটি ফ্যাক্টরী রয়েছে আদমজীতে ইপিজেডে এসকল ফ্যাক্টরীর একটি বটম,জিপার উৎপাদন করে বাকি দুটি ফ্যাক্টরীতে জিন্স প্যান্ট উৎপাদন করে। এই তিনটি ফ্যাক্টরী একটি থেকে ঝুট, স্কারাব ভাঙ্গারি মালামাল খালাস করবেন। আরেকটিতে দুপুরের খাবার সাপ্লাই দিবেন এবং অপর আরেকটি ফ্যাক্টরীতে বালু, গিরিজ, মবিল সাপ্লাই দিবেন মনির। এদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফলাফলের পর শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপির সরকার গঠন করার আগেই নির্বাচনের চারদিনের মাথায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ইয়াস্টার জেন্টস বিডি লিঃ এর ভিতরে প্রবেশ করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের তিনটি ফ্যাক্টরী দখলে নিতে মড়িয়া হয়ে যান ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন। মনির মড়িয়া হলেও ফ্যাক্টরী কতৃপক্ষ ফ্যাক্টরীর ওয়েস্টেজ মালামাল তার কব্জায় দিকে অস্বীকৃতি জানালেও ইডি মাহমুদ ম্যানেজ করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদের দোহাই দিয়ে ইয়াস্টার জেন্টস বিডি লিঃ এর তিনটি ফ্যাক্টরী ভাগিয়ে নেন। নব্য বিএনপি ও হাইব্রিড হিসেবে বিভেচিত এসকল সমর্থকদের নিয়ে ইপিজেডের ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ফ্যাক্টরী দখলে নিতে শক্তি প্রদর্শন করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরিস্থিতি আবার সৃষ্টি করছে মনির। তাই কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই মনিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।