1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলতে থাকে। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র দা, বটি, টেঁটা, বল্লম, লোহার রড ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল মোতায়েন করা হয়।

সরেজমিনে জানা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খাসেরগাঁও গ্রামের মনির হোসেন ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের রাসেল মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের পাঁচানি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদের দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ পাঁচানি গ্রামের বজলু মিয়া অভিযোগ করেন, খাসেরগাঁও ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের মনির মেম্বার ও রাসেল মিয়া তাদের লোকজন দিয়ে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ডাকাতি চালায়। আমরা এর প্রতিবাদ করায় আজ দুপুরে প্রায় তিন শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের গ্রামে ঢুকে বাড়িঘর ও দোকানপাটে লুটপাট চালায়। আমাদের অন্তত ১০–১২ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এমনকি আগুন ধরিয়ে দেয় বাড়িঘর ও দোকানে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে মসজিদের ছাদে আশ্রয় নিলে সেখানেও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে মসজিদের গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়।

অন্যদিকে ছোট কোরবানপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মিয়া পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাঁচানি গ্রামের হামিদ মিয়া একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে রেখেছে। সকালে আমাদের ছেলেরা নদীতে গেলে হামিদ মিয়ার লোকজন তাদের মারধর করে আহত করে। পরে উত্তেজিত হয়ে আমাদের লোকজন তাদের গ্রামে যায়। এতে দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়।

পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরেই দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। গত সপ্তাহে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি কয়েকটি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুরের চিহ্ন দেখতে পান বলে জানান।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মহিবুল্লাহ বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থলে রয়েছি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। প্রশাসনের লোকজন সরে গেলেই পুনরায় হামলার চেষ্টা করছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পরিস্থিতি শান্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট