1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
মাসুদের সাজানো 'শো' কে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা! - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা সোহেল আহাম্মেদ ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা আব্দুর রহিম ফতুল্লাবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতা নিয়াজ মোহাম্মদ মাসুম জাবিতে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষার্থী অরূপের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ফতুল্লাবাসীকে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আমিনুল হাসান লিটন এনায়েতনগর ইউনিয়ন বাসীকে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন রূপগঞ্জে চাঞ্চল্যকর বাবু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত লতিফ গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ট সহচরসহ ৬ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার : র‌্যাব-১১ অধিনায়ক বন্দরে মব সৃষ্টি করে আসামি ‘ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৫

মাসুদের সাজানো ‘শো’ কে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জে আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপির সদর আসনের মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান ওরফে মডেল মাসুদকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা অব্যাহত।

সমালোচক মহলের অভিযোগ—তিনি দীর্ঘদিন ধরেই “ওসমানীয় দালাল” হিসেবে পরিচিত এবং আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পছন্দ করেন। রবিবার শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা তাঁর তথাকথিত ‘ছাত্র-জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান সেই বিতর্ককে আরও ঘনীভূত করেছে।

কার্ড না পেলে ঢোকা নয়—গণমানুষের অনুষ্ঠানে গণমানুষই বঞ্চিত
গলাচিপা এলাকার অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সাহেদ আহমেদ চারটি প্রশ্ন হাতে নিয়ে অনুষ্ঠানে গেলেও গেট থেকেই ফেরত পাঠানো হয়। বলা হয়—“সবার জন্য কার্ড নাই।” কিন্তু পরে দেখা যায় নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর লোকজনের কাছে কার্ড পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ প্রশ্নকারীরা দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে গেলেও নির্বাচিত ব্যক্তি ও দলীয়দের সহজে প্রবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে—এমন প্রমানই দেখা গেছে।

‘ছাত্র-জনতা’ নয়—দলীয়দের প্রদর্শনীতে রূপ নিলো অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠানস্থলে নেতাকর্মীদের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। ছাত্রদল নেতা রাজীব তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের গলায় কার্ড ঝুলিয়ে দিতে ব্যস্ত। যারা নিজেদের সাধারণ ছাত্র পরিচয় দিলেও তারা রাজীবের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়েই ঢুকেছে।

সদর থানা ছাত্রদল নেতা সাগরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন—ফলে অনুষ্ঠানটি গণমুখী নয়, বরং দলীয় প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে—এমন মত বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

‘প্রশ্ন করতে আসিনি, এমপি হবেন—দেখতে এসেছি’
অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও বিতর্ক তৈরি হয় যখন এক নারী বলেন—
“আমি কোনো প্রশ্ন করতে আসি নাই। তিনি এমপি হবেন—তাকে দেখতে আসছি।”
অন্য অনেকেই একই প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এতে অনুষ্ঠানের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে বড় প্রশ্ন ওঠে—এটি কি গণমানুষের জবাবদিহিতা, নাকি নির্বাচনী প্রচারণার মোড়কে পূর্বপরিকল্পিত উপস্থিতি-নির্ভর প্রদর্শনী?

আয়োজকদের অজুহাত—সমালোচকদের ক্ষোভ আরও উস্কে দিল
মডেল গ্রুপের হেড অব প্ল্যানিং বাপ্পি দাবি করেন, “স্কুল-কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এসেছে”—কিন্তু কাদের কীভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তার কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
সমালোচকদের ভাষায়—“গণমানুষের নেতা হলে, গণমানুষকে ঢুকতে দিতে হয়। কার্ড-নির্ভর সাজানো ভিড়ে গণতন্ত্র লুকানো যায়, জবাবদিহিতা নয়।

”সংক্ষেপে—

আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে ভালোবাসেন মাসুদুজ্জামান—এ অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু গণমানুষের মুখোমুখি হওয়ার নামে এমন বাছাই করা আয়োজন তাঁর নেতৃত্বের স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও জবাবদিহিতা—সবকিছুকেই আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট