1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশ বলছে পলতাক: আড়াইহাজারে অস্ত্র মামলার আসামি ও সাবেক ছাত্রদল নেতার শোডাউন আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে এমন কোন শক্তি নেই পরাজিত করবে-এড.সাখাওয়াত খেজুর গাছ বিজয়ী হলে তারেক রহমান বিজয়ী হবে-কাসেমী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হবে-ডিসি রূপগঞ্জে দুই সাংবাদিকদের উপর হমলা, গ্রেপ্তার-১ আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চারজন ত্রয়োদশ নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ: দুটি আসনে নির্ভার বিএনপি তিনটিতে বিদ্রোহ নারায়ণগঞ্জ-৩: নির্বাচনী উত্তাপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস ফতুল্লায় মব সৃষ্টির চেষ্টা: প্রতিবাদ করায় বোমা নিক্ষেপ আড়াইহাজারে যৌথ অভিযানে অস্ত্র, মাদক ও নগদ অর্থসহ ৪ জন আটক

আসামি গ্রেপ্তারে ক্ষোভ : জাকির খানের নাম ভাঙিয়ে থানায় হামলা, ফের মামলা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেইট এলাকায় সবুজ (৩৭) নামে এক যুবককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে উদ্ধারে থানায় গিয়ে পুলিশের ওপর হুমকি, গালিগালাজ ও অশোভন আচরণ—ঘটনার পর গোটা নগরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের উদাসীনতা ও দুর্বলতাকে দায়ী করে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

শনিবার বিকেলে সদর মডেল থানা পুলিশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাসুম ওরফে ‘সিআইডি মাসুম’ (৪১) এবং রাজুকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু খবর পেয়ে অর্ধশতাধিক লোক একযোগে থানায় ঢুকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা পুলিশ সদস্যদের ধাক্কাধাক্কি, গালমন্দ ও হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়—যা নিঃসন্দেহে আইনশৃঙ্খলার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

পুলিশ জানায়, হামসিক আচরণে জড়িত রনি ওরফে এডভান্স রনি, আলআমিন, শাহিন, মশিউর রহমান মশু, টাক্কু রাজুসহ সাতজনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা রুজু করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মামলায় ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ১৯ নভেম্বর রাতে ১নং রেলগেইট এলাকায় একটি টিনসেট ঘরে সবুজকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি ঢাকা মেডিক্যালে মারা যান। নিহতের বাবা আবুল হোসেন সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সদর মডেল থানার ওসি নাছির আহম্মেদ বলেন, “হত্যা মামলার তদন্ত চলছে, আরও আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” থানায় হামসিক আচরণের ঘটনাতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

তবে নাগরিক সমাজ প্রশ্ন তুলছে—একটি থানায় এভাবে গণহুল্লোড় করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কিভাবে হয়? পুলিশি নিরাপত্তার অভাব ও প্রভাবশালী মহলকে প্রশ্রয়ের সংস্কৃতি—এই ঘটনার ভয়ংকর বাস্তবতা উন্মোচন করেছে। অনেকেই বলছেন, যদি থানায় পুলিশই নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে?

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি এখন জনমনে একটাই প্রত্যাশা—হত্যাকারী হোক কিংবা থানায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা—কেউ যেন আইনের বাইরে না থাকে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট