1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩ শতাধিক শীতার্তদের মুখে হাসি ফোটালো না.গঞ্জ ঐক্য পরিষদ আড়াইহাজার থানার লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫ রূপগঞ্জে যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ছয়জন গ্রেফতার এবারের নির্বাচন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্মরণ করবে-অতিরিক্ত সচিব দেওভোগ এলাকায় বাংলাদেশ সনাতন পার্টির পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরন সোনারগাঁয়ে ট্রাকের পিছনে পুলিশের গাড়ি ধাক্কা, দারোগাসহ আহত ৩ আমাকে আপনাদের গোলাম হিসেবে দেখবেন-কালাম চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বৈষম্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে-রফিউর রাব্বি নারায়ণগঞ্জ-৪: এমপি প্রার্থী সিরাজীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ধানের শীষের আরেক শাঁস তার নাম খেজুর গাছ: মনির কাসেমী

সোনারগাঁয়ে ৬৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকরাই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোনারগাঁয়ে মোট ১১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬৩টি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শূন্য। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতে পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

পরমেশ্বরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা আক্তার বলেন, ‘আমাকে মাসে অন্তত ১০ দিন উপজেলায় দাপ্তরিক কাজে যেতে হয়। তখন বিদ্যালয়ে পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।’

আমগাঁ বরগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুসলিমা আক্তার বলেন, ‘আমাকে প্রতি মাসের ৩ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত উপজেলায় থাকতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাস নিতে পারি না। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে।’

লাধুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বলেন, ‘আমাকে মাসের ৩ থেকে ৯ দিন উপজেলায় দাপ্তরিক কাজে যেতে হয়। এতে শিক্ষার মান দুর্বল হয়ে পড়ছে।’

টেকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালেহা আক্তার জানান, ‘তিন বছর ধরে প্রধান শিক্ষক নেই। বর্তমানে মাত্র চারজন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় চালাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।’

পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষক সংকটে সঠিকভাবে পড়াশোনা হচ্ছে না। একজন শিক্ষককে একই সময়ে একাধিক ক্লাস নিতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বা পদোন্নতি জাতীয় ইস্যু। কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ বা পদোন্নতি না হলে স্থানীয়ভাবে পদ পূরণ সম্ভব নয়। নানা জটিলতার কারণে পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সমস্যাটি আরও প্রকট হয়েছে।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট