1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
জুলাই বিপ্লব ছিল জনমানুষের বিপ্লব-এড.সাখাওয়াত - যুগের নারায়ণগঞ্জ
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শর্ত ভঙ্গ করে নারায়ণগঞ্জের টানবাজারে চলছে সেন কোম্পানির মদ বিক্রি! সোনারগাঁয়ে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় পথ হারানো শিশু তামজীদ উদ্ধার, পরিবারকে খুঁজছে পুলিশ ফতুল্লায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, মামলা সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ফতুল্লায় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি জনি গ্রেফতার অপহরনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার অপহৃত শিশু, গ্রেপ্তার মূল হোতা নারায়ণগঞ্জে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের ঢল নারায়ণগঞ্জে কর্তব্যরত ট্রাফিক নার্স ও রোগীদের জন্য খোরশেদের বিশেষ আয়োজন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মীর সোহেল আলী

জুলাই বিপ্লব ছিল জনমানুষের বিপ্লব-এড.সাখাওয়াত

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
“১৬ বছর এই নারায়ণগঞ্জে বিচার ছিল না। ত্বকীসহ বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ হত্যাকাণ্ড হলো—ছাত্র জনতাকে সামনে থেকে গুলি করে হত্যা ও হাজারো মানুষকে আহত করা,” — এমন মন্তব্য করেছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে ‘গ’ ক্যাটাগরির জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চেক ও শহীদ পরিবারের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “গত ১৬ বছর আমরা এই দেশে ‘সি’ ক্যাটাগরির নাগরিক হিসেবে বসবাস করেছি। আইনের শাসন, সুশাসন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত থাকলে এই দেশে জুলাই বিপ্লবের প্রয়োজন হতো না।”

সাখাওয়াত বলেন, “জুলাই বিপ্লব ছিল জনমানুষের বিপ্লব। দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষ তখন আন্দোলনের পক্ষে ছিল। সেই আন্দোলন দমন করতে যারা সামনে থেকে গুলি করেছে, তারাই এই দেশের গণতন্ত্র ও অধিকার হরণকারী ফ্যাসিস্ট শক্তি।”

তিনি অভিযোগ করেন, “নারায়ণগঞ্জে শুধু তালিকাভুক্ত ২২২ জন নয়, অগণিত নেতা-কর্মী ও ছাত্র জনতা আহত হয়েছে, যারা তালিকায় নাম লেখায়নি। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি এখনও বহাল।”

সরকার ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই যোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। আমরা তাদের পাশে থাকতে চাই। শহীদদের কেউ ভুলবে না, আর আহতদের পাশে থাকবে জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ১১২ জন আহতকে ১ লাখ টাকা করে চেক এবং ৪ শহীদ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রসিকিউশন) মো. ইব্রাহিম হোসেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, ইসলামী আন্দোলন সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক নিরব রায়হান, সদস্য সচিব জাবেদ আলম, মহানগর আহ্বায়ক মাহফুজ খান, সদস্য সচিব হৃদয় ভূঁইয়া, আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট