1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
রোববার সকালে মুক্তি পাচ্ছেন জাকির খান - যুগের নারায়ণগঞ্জ
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছে জানালেন সনাতন পার্টির সভাপতি টনি মল্লিক গুম খুনে গ্রেপ্তার অন্যরা, শোডাউনে ‘মূল আসামি রানা! নারায়ণগঞ্জে কোনো চাঁদাবাজি বা দখলদারিত্ব চলবে না-এড.সাখাওয়াত পরিচ্ছন্ন নগরায়ন জনগনের অধিকার-মামুন মাহমুদ আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে শিক্ষার্থীরাই: এমপি কালাম অর্থের বিনিময়ে সরকারী টিকা দেওয়ার ঘটনায় আফরোজাকে কারাদন্ড রঙ বদলে আওয়ামী দোসর আলী হোসেন এখন বিএনপি নেতাদের দরবারে ফতুল্লায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট পহলো বৈশাখ বরণে নারায়ণগঞ্জ চারুকলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

রোববার সকালে মুক্তি পাচ্ছেন জাকির খান

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪৯১ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় খালাস পাওয়ার পর আগামী রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে কারামুক্ত হচ্ছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাকির খান। আদালতের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ৩৩টি মামলার আসামি ছিলেন জাকির খান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-১১ এর একটি অভিযানে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে বিভিন্ন মামলায় জামিন পান তিনি। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি সাব্বির আলম হত্যা মামলার রায়ে তিনি এবং মামলার অন্য আসামিরা খালাস পান।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এরপর জাকির খানের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাজিব মন্ডল জানান, “জাকির খানের বিরুদ্ধে ৩৩টি মামলা ছিল। এরমধ্যে ৩০টিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। বাকি দুটি মামলায় জামিনে আছেন। আদালতের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছেছে, তাই তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।”

এ মামলায় খালাস পাওয়া অন্যান্য আসামিরা হলেন—জাকির খানের দুই ছোটভাই জিকু খান ও মামুন খান, তার সহযোগী জঙ্গল ওরফে লিটন, মোক্তার হোসেন, নাজির আহমেদ, আব্দুল আজিজ এবং মৃত মনিরুজ্জামান শাহীন।

২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে মাসদাইর এলাকায় নিজ বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় বিকেএমইএ’র সাবেক সহ-সভাপতি সাব্বির আলম খন্দকারকে। নিহত সাব্বির বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) ও বর্তমানে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের ছোট ভাই।

ঘটনার পর তার বড় ভাই তৈমুর আলম খন্দকার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের তৎকালীন বিএনপি সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জাকির খানসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়। সিআইডি তদন্ত শেষে ২০০৬ সালে জাকির খানসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

র‌্যাব জানিয়েছে, নব্বইয়ের দশকে জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন থেকে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করেন জাকির। পরে তিনি বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসেন। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ বহু অভিযোগ রয়েছে। একসময় শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, সাব্বির হত্যা মামলার পর জাকির খান দেশ ছেড়ে থাইল্যান্ডে পালিয়ে যান। এরপর প্রায় দুই দশক দেশে না থেকে ২০২১ সালে ভারত হয়ে ফের দেশে আসেন। পরে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর সাব্বির হত্যা মামলার বিচার কাজ গতি পায়। গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলার বাদী তৈমুর আলম খন্দকার আদালতে সাক্ষ্য দেন। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট