
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, তাঁর শ্যালক এহসানুল হক নিপু ও সহযোগী আরও আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১০ বছর আগে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও না পেয়ে হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে ২ লাখ টাকা লুট করার অভিযোগ করা হয়েছে।
নসিব পরিবহনের পরিচালক তোফাজ্জল হোসাইন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাকিয়া শারমিনের আদালতে এই মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
নসিব পরিবহনের পরিচালক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ২০০৮ সালের ২২ আগষ্ট যাত্রা শুরু করা নসিব পরিবহন নারায়ণগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে চিটাগাং রোড পর্যন্ত চলতো। ২০১৪ সালে শামীম ওসমান এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তার নির্দেশে শ্যালক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হক নিপু, হকার্স লীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূইয়াসহ কয়েকজন নসিব পরিবহনের অফিসে আসে। তারা ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে এসে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং টিকেট বিক্রি দুই লাখ টাকা নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, কিছুদিন পরে নসিব পরিবহনের মালিকদের বিরুদ্ধে উল্টো চাঁদাবাজি মামলা দেওয়া হয়। আদালত থেকে এ মামলায় বেকসুর খালাস পান। পরবর্তীতে তারা নসিব পরিবহনের মালিকদের জিম্মি করে পরিবহনের ১১টি বাস নিয়ে নেয়। বাসগুলোর রং রাতারাতি পরিবর্তন করে বন্ধু পরিবহন নামে চালাতে থাকে। এ ব্যাপারে তারা নারায়ণগঞ্জ থানায় মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।