1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
নাঃ গঞ্জে ট্রাফিককে টাকা দিলেই অবৈধ হয়ে যায় বৈধ-যুগের নারায়ণগঞ্জ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় লিংক রোড আলোকিত ও হকার উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সোনারগাঁয়ে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মতো হলো বিজু উৎসব দালাল সহীদকে গ্রেপ্তার দাবিতে সাংবাদিকদের আল্টিমেটাম ফতুল্লায় সন্ত্রাসী হামলায় গৃহিনী আহত,স্বর্ণালংকার লুট, থানায় অভিযোগ ফতুল্লার চাঁদনী হাউজিংয়ে সংঘর্ষ: রনিকে হুকুমের আসামি করে মামলা সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: থানায় জিডি জনগন মেরুদণ্ডসম্পন্ন প্রশাসন দেখতে চায়-এমপি আল আমিন সিদ্ধিরগঞ্জে হকার্স উচ্ছেদের সিদ্ধান্তে মানববন্ধন বিকেএমইএ-চেম্বার অব কমার্স ও স্বেচ্ছাসেবীদের জেলা পুলিশ সম্মাননা

নাঃ গঞ্জে ট্রাফিককে টাকা দিলেই অবৈধ হয়ে যায় বৈধ-যুগের নারায়ণগঞ্জ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা শহরকে যানজট নিরসনে নিরলস ভাবে কাজ করছে জেলা ট্রাফিক পুলিশ। শহরে যানজটের মুল কারন হিসেবে ধরা হয় অবৈধ অটোরিকশা। আর এই অবৈধ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে জেলা ট্রাফিক পুলিশে ৪টি রেকার। চার রেকারের অন্যতম অপারেটর হলো এটি এস আই হানিফ। অটোরিকশা চালকরা বলছে টাকা দিলেই অবৈধ হয়ে যায় বৈধ।
চুক্তিভিত্তিক মানতি দিলেই ধরা হয় না ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এমনটাই হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে। ৪জন রেকার অপারেটরের মধ্যে সবার দেখে আলাদা এটি এস আই হানিফ। রেকারে দ্বায়িত্ব পালন করার পূর্বে জেলা ট্রাফিক পুলিশের মুন্সি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এরকয়েক মাসের মধ্যেই দ্বায়িত্ব পান রেকার অপারেটর হিসেবে। দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই অর্থ উপার্জনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এটি এস আই হানিফ।
রেকার অপারেটর এটি এস আই হানিফ তার একদল সোর্স নিয়ে শহরের চাষাড়া, মেট্রোহল, কালিবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনে ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায় চুক্তি ভিত্তিক সোর্স রয়েছে ৯ (নয়) জন। এছাড়া সোর্স দের পাশাপাশি অটোরিকশা চালকদের দিয়েও গাড়ি ধরান তিনি। এমনকি একজন চালক ৫ টি করে অটোরিকশা আটক করে দিলে নিজেদের গাড়ি ফ্রি নিয়ে যেতে পারবে এইচুক্তিতেও চালকদের দিয়েই গাড়ি ধরান তিনি। খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, এটি এস আই হানিফ টাকার বিনিময়ে মাসিক ভিত্তিতে সোর্সদের সাথে যোগাযোগ করে শহরে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ করে দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে আসছে।এছাড়া রাস্তা ও ডাম্পিংয়ে তার সামনেই তার পালিত সোর্সেরা অটোরিকশা চালকদের উপর অত্যাচার করে তবুও নিশ্চুপ ভুমিকা পালন করে। আরো জানা যায় মাসিক ১০-১৫ হাজার করে টাকা নিয়ে বিশেষ পেশা ও অটো দালালদের অটোরিকশা মানতি করার অনুমতি দিয়ে থাকে। মানতির টাকা না দিলেই কার্ডের গাড়ি ধরা হয়। আর মানতি দিলেই কার্ডের গাড়ি ধরা হয় না।
তার নিজস্ব সোর্স বরাতে জানা যায়, প্রতিদিন ৬০-৭০ টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করে কিন্তু বেশি হলে ১৫ থেকে ২০ টি গাড়ির বিল করা হয়। এছাড়া ব্যাটারিচালিত ভ্যান গাড়ি ধরার পর জরিমানার রসিদ করা হয় না। মাঝে মাঝে রসিদ দিলেও অন্য রসিদ ফটোকপি করে দেয়া হয়। সোর্স আরো জানায় এটি এস আই হানিফ প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা এই ডাম্পিং থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে।
নাম প্রাকশে অনিচ্ছুক এটি এস আই হানিফকে মানতি দেয় এমন কয়েকজন জানান, মানতির টাকা উত্তোলনের দায়িত্বে রয়েছে সেক্টর ভিত্তিক অর্ধডজনেরও অধিক লোক। অটোরিকশা ছাড়ের জন্য বিভিন্ন কার্ড ফি কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। ক্ষেত্র বিশেষ ১২-১৫ হাজার টাকা। এ বিষয়ে এটি এস আই হানিফকে একাধিক বার ফোন করলে তিনি বিকাল ৩টা ৫২ মিনিটে ৫৮ সেকেন্ড , ৪টা ৯ মিনেটে ১মি ৫৭ সেকেন্ড, ৪টা ১৫ মিনিটে ১মি ৪ সেকেন্ড ফোন রিসিভ করে রেখেও কথা বলেন নি তিনি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট