1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
অবশেষে ব্দ্বাশ্রমেই আশ্রয় হলো জাহঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আঃ আউয়ালের - যুগের নারায়ণগঞ্জ
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: থানায় জিডি জনগন মেরুদণ্ডসম্পন্ন প্রশাসন দেখতে চায়-এমপি আল আমিন সিদ্ধিরগঞ্জে হকার্স উচ্ছেদের সিদ্ধান্তে মানববন্ধন বিকেএমইএ-চেম্বার অব কমার্স ও স্বেচ্ছাসেবীদের জেলা পুলিশ সম্মাননা চৌধুরীবাড়ি বাজার কমিটিতে সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী রিয়াজ নারায়নগঞ্জ থেকেই সরকার পতন আন্দোলন শুরু হবে: আব্দুল জব্বার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিল জেলা পরিষদ শত শত কোটি টাকার টেন্ডার লুটপাটের সম্রাট গণপূর্তের আহসান হাবীব সোনারগাঁয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা রক্সি’ গ্রেপ্তার ‘শামীম ওসমানের ছায়ায় টিপু ? বিএনপিতে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট !’

অবশেষে ব্দ্বাশ্রমেই আশ্রয় হলো জাহঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আঃ আউয়ালের

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী। বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান। ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও আজ তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে। ২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে
আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেছি। এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি। ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি। এরপর ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।
কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল
তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গালি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি। ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালোও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি।.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট