1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন

বন্দরে সন্ত্রাসী হামলায় লুট পাট ও ভাংচুরের ঘটনায় থানায় প্রতিকার না পেয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ।

বন্দর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে বাড়ি সিমানা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পাষান্ড বড় ভাই শাহীন ও তার ছেলে সৌরভের সন্ত্রাসী হামলায় ছোট ভাই ও তার স্ত্রী জখমসহ বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ৭দিনেও কোন প্রতিকার পায়নি ক্ষতিগ্রস্থ্যরা। গনমাধমের কাছে এমন কথা জানিয়েছে সন্ত্রাসী হামলায় আহত মহসীন ও তার স্ত্রী তানিয়া বেগম।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বন্দর থানা পুলিশের কাছে সুবিচার না পেয়ে এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ তানিয়া বেগম বাদী হয়ে গত ১০ এপ্রিল হামলাকারি পাষান্ড বড় ভাই শাহিন মিয়া ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম ছেলে সৌরভ মেয়ে তানজিমা ও শ্যামা নাম উল্লেখ্য করে উল্ল্যেখিত ঘটনার তদন্ত স্বাপেক্ষে সুষ্ঠ বিচারের আশায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার দক্ষিন লক্ষনখোলা এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছোট ছেলে মহসীন এর সাথে তাইে বড় ভাই শাহীন মিয়ার সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বাড়ি সিমানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ৯ এপ্রিল বিকেলে পাষান্ড বড় ভাই শাহীন ও তার সন্ত্রাসী ছেলে সৌরভসহ উল্লেখিতরা ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছোট ভাই মহসীনের বাড়িতে অতর্কিত হামলা হামলা চালায়। ওই সময় হামলাকারিরা বাড়ি লোহার গেইট ভেঙ্গে ফেলে অনাধিকার ভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে ছোট ভাই মহসীনকে অকথ্য ভাষা গালাগালি করে মারধর করে। পরে আহত মহসীন গত ১০ এপ্রিল বিকেল ৪টায় সন্ত্রাসী হামলায় ভেঙ্গে যাওয়া তাদের লোহার গেইট মেরামতের করতে চাইলে ওই সময় উল্লেখিতরা ক্ষিপ্ত হয়ে অনাধিকার ভাবে আবারও বাড়িতে প্রেবেশ করে জানালার থাইগ্লাস ব্যাপক ভাংচুর,লুটপাট চালিয়ে প্রায় ১লাখ টাকা ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় আহত মহসীন হামলাকারিদের বাধা প্রদান করলে ওই সময় হামলাকারিরা মহসীনকে বেদম ভাবে পিটিয়ে তার স্ত্রীকে শ্লীতাহানী করে। ভ্থক্তভোগীরা জানায়, এ ঘটনায় বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ৭দিন অতিবাহিত হলেও রহস্য জনক কারনে বন্দর থানা পুলিশ বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। থানায় প্রতিকার না পেয়ে এ ব্যাপারে গত ১০ এপ্রিল সুবিচারের আশায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
(ছবি)
বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে বাড়ি সিমানা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পাষান্ড বড় ভাই শাহীন ও তার ছেলে সৌরভের সন্ত্রাসী হামলায় ছোট ভাই ও তার স্ত্রী জখমসহ বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ৭দিনেও কোন প্রতিকার পায়নি ক্ষতিগ্রস্থ্যরা। গনমাধমের কাছে এমন কথা জানিয়েছে সন্ত্রাসী হামলায় আহত মহসীন ও তার স্ত্রী তানিয়া বেগম।
সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বন্দর থানা পুলিশের কাছে সুবিচার না পেয়ে এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ তানিয়া বেগম বাদী হয়ে গত ১০ এপ্রিল হামলাকারি পাষান্ড বড় ভাই শাহিন মিয়া ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম ছেলে সৌরভ মেয়ে তানজিমা ও শ্যামা নাম উল্লেখ্য করে উল্ল্যেখিত ঘটনার তদন্ত স্বাপেক্ষে সুষ্ঠ বিচারের আশায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার দক্ষিন লক্ষনখোলা এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছোট ছেলে মহসীন এর সাথে তাইে বড় ভাই শাহীন মিয়ার সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বাড়ি সিমানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ৯ এপ্রিল বিকেলে পাষান্ড বড় ভাই শাহীন ও তার সন্ত্রাসী ছেলে সৌরভসহ উল্লেখিতরা ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছোট ভাই মহসীনের বাড়িতে অতর্কিত হামলা হামলা চালায়। ওই সময় হামলাকারিরা বাড়ি লোহার গেইট ভেঙ্গে ফেলে অনাধিকার ভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে ছোট ভাই মহসীনকে অকথ্য ভাষা গালাগালি করে মারধর করে। পরে আহত মহসীন গত ১০ এপ্রিল বিকেল ৪টায় সন্ত্রাসী হামলায় ভেঙ্গে যাওয়া তাদের লোহার গেইট মেরামতের করতে চাইলে ওই সময় উল্লেখিতরা ক্ষিপ্ত হয়ে অনাধিকার ভাবে আবারও বাড়িতে প্রেবেশ করে জানালার থাইগ্লাস ব্যাপক ভাংচুর,লুটপাট চালিয়ে প্রায় ১লাখ টাকা ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় আহত মহসীন হামলাকারিদের বাধা প্রদান করলে ওই সময় হামলাকারিরা মহসীনকে বেদম ভাবে পিটিয়ে তার স্ত্রীকে শ্লীতাহানী করে। ভ্থক্তভোগীরা জানায়, এ ঘটনায় বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ৭দিন অতিবাহিত হলেও রহস্য জনক কারনে বন্দর থানা পুলিশ বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। থানায় প্রতিকার না পেয়ে এ ব্যাপারে গত ১০ এপ্রিল সুবিচারের আশায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট