
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও বোমা বিষ্ফোরনের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমার বিষ্ফোরন ঘটানো হলে কোন মতে প্রানে রক্ষা পায় পুলিশ সদস্যরা। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন মাদক ব্যবসায়ী সাব্বির বাহিনীর তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
শনিরবার রাত ১২টায় ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট হাজির মাঠ এলাকায় এঘটনা ঘটে। পরে র্যাব পুলিশ ও ডিবির একাধীক টিম গিয়ে ওই এলাকায় তল্লাশী চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সাব্বিরের বাসা থেকে তার স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও হিরোইন সহ আটক করেন।
এসময় ওই বাসা থেকে আরো দুই নারী ও দুইজন পুরুষকে আটক করা হয়।
এবিষয়ে থানার ওসি ও পরিদর্শকের (তদন্ত) সাথে একাধীকবার যোগাযোগ করেও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী জানান, রাত ১১টার দিকে মাসদাইর গুদারাঘাট হাজির মাঠ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী সাব্বিরের সাথে তার প্রতিপক্ষ জনির ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। উভয় গ্রুপের হাতে রাম দা ও বড় ছুরি লোহার রড ছিল। এলাকাবাসী দেশীয় অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত মাদক ব্যবসায়ীদের দেখে ভয়ে দরজা জানালা লাগিয়ে ঘরে আবদ্ধ হয়। এসময় এলাকার দোকানপাটও বন্ধ করে ফেলা হয়। এরমধ্যে উভয় গ্রুপ মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ালে ৩জন ধারালো ছরি আঘাতে মারাত্মক জখম হয়। আহতরা হলেন জনি, মিজান ও কুতরত আলী।
এলাকাবাসী দেখেছে, আহতদের সঙ্গীরাই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কোন হাসপাতালে নিয়ে গেছে তা কেই জানেনা।
এরপরই ৩জন পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করেন। বোমা গুলো পুলিশের উপর না পড়লেও কাছেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় ভয়ে পুলিশ দৌড়ে প্রানে রক্ষা পায়।
এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক, সার্কেল তারেক আল মেহেদী জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপর হামলা চালায় এবং ভয় দেখাতে কয়েটি বোমা নিক্ষেপ করে। সেখানে পুলিশ যাওয়ার আগে কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়ছে। তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাব্বিরের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। অন্য আরো যাদের আটক করা হয়েছে তাদের বিষয়ও খোজখবর নিচ্ছি।