যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও উপজেলার পর্যটন নগরী সোনারগাঁ পৌরসভার বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁও জাদুঘর) ১ নম্বর গেট থেকে পুরান টিপরদী মোড় পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দে ভরা এই সড়কটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
শনিবার (১৭ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানিতে তলিয়ে গিয়ে আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। এতে করে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ বলেন, “আমাদের পৌরসভার বাইরের এলাকায় অবস্থিত ছোট-বড় অনেক শিল্পকারখানা রয়েছে। যেমন—মেঘনা গ্রুপ, আস্তা ফিট, আমান গ্রুপ, বেঙ্গল গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভারী যানবাহন নিয়মিত এই সড়ক ব্যবহার করে। এসব ভারী যানবাহনের চাপেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সোনারগাঁ পৌরবাসীর করের অর্থে পৌরসভার উন্নয়ন ও রাস্তাঘাট সংস্কার করা হয়। অথচ পৌরসভাকে কোনো ধরনের সমন্বয় বা সহযোগিতা ছাড়াই বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে কোটি কোটি টাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা জানান, পৌরবাসীর কষ্টার্জিত অর্থে সড়ক উন্নয়ন করা হলেও যেসব কোম্পানির ভারী যানবাহন চলাচল করে, তাদের কাছ থেকে পৌরসভা কোনো আর্থিক সুবিধা বা অবদান পায় না। অথচ তাদের যানবাহনের কারণেই সড়ক দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই সড়ক দিয়ে সোনারগাঁও উপজেলার প্রায় সাত থেকে আটটি ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে সড়কটি সংস্কার এবং ভারী যানবাহন চলাচলের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত