
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১৪ মে) সকাল পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাত বছর বয়সী মুন্না মারা যায়।
তার শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর আগে একই ঘটনায় মুন্নার বাবা মো. আবুল কালাম (৩৫) গত সোমবার সকালে এবং বোন কথা (৭) বুধবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
ফলে এ পর্যন্ত একই পরিবারের বাবা, ছেলে ও মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু হলো।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে আবুল কালামের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল, যা তার মৃত্যুর প্রধান কারণ। পরবর্তীতে তার মেয়ে কথা ও ছেলে মুন্নারও মৃত্যু হয়।
বর্তমানে দগ্ধ অবস্থায় স্ত্রী সায়মা (৩২) ও মেয়ে মুন্নি (১০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
জানা যায়, নিহতরা ফতুল্লার উত্তর ভুঁইগড় গিরিধারা এলাকার ৬ নম্বর সড়কে শাহজাহান মিয়ার মালিকানাধীন একটি নয়তলা ভবনের নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া এলাকায়। নিহত আবুল কালাম পেশায় সবজি বিক্রেতা ছিলেন।
গত রোববার ভোরে ওই এলাকায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে আকস্মিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।