যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকা একসময় সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যেত। বর্ষা মৌসুম এলেই দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়াতো স্থানীয়দের জন্য। জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়া, চলাচলে বিঘ্ন, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা—সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো এলাকাবাসীকে।
তবে দীর্ঘদিনের সেই দুর্ভোগ থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন ফতুল্লার লাঁলপুরসহ ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের উদ্যোগে এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতায় এলাকায় খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।
সর্বশেষ টানা দুই দিনের বৃষ্টিতেও ফতুল্লার লাঁলপুরসহ এলাকা ও আশেপাশে কোথাও পানি জমে থাকতে দেখা যায়নি। বৃষ্টি থামার পরপরই দ্রুত পানি নেমে গেছে, যা স্থানীয়দের কাছে স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। খাল খননের ফলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায় পানি নিষ্কাশন এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, আগে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি জমে যেত, বাড়ি থেকে বের হওয়া ছিল কষ্টকর। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে। তারা প্রশাসক মামুন মাহমুদ ও রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পিত খাল খনন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এনে দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নারায়ণগঞ্জের অন্যান্য জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাও দ্রুত এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, শুধু খাল খনন করলেই হবে না, এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। খাল দখল ও ময়লা ফেলা বন্ধে কঠোর নজরদারি থাকলে এই সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।
সব মিলিয়ে, ফতুল্লাসহ আশে পাশের এলাকায় খাল খননের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে—যেখানে একসময় বৃষ্টি মানেই ছিল দুর্ভোগ, এখন তা হয়ে উঠেছে স্বস্তির প্রতীক।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত