
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় শিশু সৈকত ইসলাম (৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে ফতুল্লা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এক কিশোরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টায় খেলাধুলার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় উত্তর নরসিংহপুর এলাকার বাসিন্দা মো. রঞ্জুর ছেলে সৈকত ইসলাম (৭)। পরদিন ৬ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর নরসিংহপুরে হাজী হাশেম স্পিনিং মিল সংলগ্ন সুমন মিয়ার পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহের মাথায় ইটের আঘাতের চিহ্ন এবং শরীরে নির্যাতনের আলামত দেখতে পেয়ে নিহতের ভাই মো. সজিব মিয়া বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নরসিংহপুর এলাকা থেকে আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত কিশোর মো. জীবন মিয়া (১৫+) কে হেফাজতে নেয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়। জবানবন্দিতে সে দাবি করে, ঘটনার সময় ভুক্তভোগীকে যৌন নির্যাতনের পর বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ার আশঙ্কায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়।
ফতুল্লা থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।