যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে র্যাব-১১।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিহত হাসিনা পারভীন মিনু (৪৬/৪৭) রাজধানীর শাজাহানপুর থানার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তুষারধারা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
তিনি মহিউদ্দিন আহমেদ ও হোসনে আরা বেগমের কন্যা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে একটি ফোন পেয়ে মিনু বাসা থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদীর পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুর রহমান অপু বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর র্যাব-১১ ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে অগ্রগতি অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ মার্চ ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে জহিরুল ইসলাম খান (৫২) এবং নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে আনিছুর রহমান (৪০)কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ভাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে ভাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত ও পরিচয় শনাক্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের সম্পূর্ণ রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত