যুগের নারায়ণগঞ্জ:
ফতুল্লায় ন্যাড়া বাহিনীর প্রধান রিয়াজ উদ্দিন ইসলাম বাবু ওরফে কিলার বাবু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মা লাভলী বেগম বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি এবং আরও অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জনকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শনিবার রাতের ঘটনায় লাভলী বেগম মামলাটি দায়ের করেন।
জানানো হয়, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড়ে রিয়াজ উদ্দিন ইসলাম বাবু ওরফে কিলার বাবু এবং তার সহযোগী লিটনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে দূবৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই কিলার বাবু মারা যান।
মামলার আসামিরা হলো: শাকিল (৩৫), সেলিম (৩৬), মামুন (৩৮), নাঈম (৩২) ও কাইল্লা নজরুল (৫০) সহ অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন।
নিহত রিয়াজ উদ্দিন বাবু ওরফে কিলার বাবু (৪০) ফতুল্লার লালপুর, পৌষাপুকুরপাড়া এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কিলার বাবু প্রথমে হাসিনা নামের এক নারী হত্যার ঘটনায় পরিচিতি লাভ করেন। এরপর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের পঞ্চবটি বন বিভাগ থেকে লোহার মার্কেট পর্যন্ত নিয়মিত ছিনতাইয়ের জন্য তিনি একটি বিশাল বাহিনী গড়ে তোলেন, যা স্থানীয়রা নাউড়া বা ন্যাড়া বাহিনী হিসেবে জানতো।
বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ভাঙা-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে কিলার বাবুর হাত ধরে একাধিক খুন সংঘটিত হয়। এর মধ্যে একজন ছিলেন রুবেল ওরফে কুত্তা রুবেল। পরবর্তীতে কিলার বাবু লালপুর, পৌষাপুকুরপাড়া এলাকায় অবস্থান নিয়ে নিজস্ব বাহিনী গড়ে তোলেন।
২০১৫ সালের ১ জুন ফতুল্লার ডি,আই,টি মাঠে প্রকাশ্যে দিবালোকে ফরহাদ নামক এক যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা করেন কিলার বাবু ও তার সহযোগীরা। এ সময় স্থানীয় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, নিহতের মা বাদী হয়ে ৫ জনকে উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ওসি জানান, নিহত কিলার বাবুর নামে আরও ৫টি হত্যা, ছিনতাই এবং একাধিক ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত হামলার মামলা রয়েছে। সে থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত