1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
রূপগঞ্জে হেকমত আলী হত্যা মামলায় রফিকের মৃত্যুদণ্ড - যুগের নারায়ণগঞ্জ
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসার দখলকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২ বিএনপিকে উদ্দেশ্যে করে রাব্বি: চাঁদাবাজি বন্ধ করেন অণ্যথায়…. সোনারগাঁয়ে অবৈধ ভোজ্যতেল কারখানায় অভিযান, জরিমানা ২ লাখ সিদ্ধিরগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন ফতুল্লার রেডিকেল ডিজাইন বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের বিক্ষোভ সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে অত্যাধুনিক মডেল হাসপাতালে পরিণত করা হবে-এমপি মান্নান সোনারগাঁয়ে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন সোনারগাঁওয়ে লাইসেন্স বিহীন হাসপাতালে অভিযান, গ্রেফতার ১ ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ৩ জন আহত সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে বৈশাখ উদযাপনের আহ্বান ডিসির

রূপগঞ্জে হেকমত আলী হত্যা মামলায় রফিকের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় হেকমত আলী (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আরেকজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন।

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ (পিপিএম) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম সবুজ (৩০) রূপগঞ্জের মোল্লাবাড়ি এলাকার ইয়াকুব হোসাইনের ছেলে। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি তার ভাই মাহফুজুর রহমান (২৬)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হেকমত আলী রূপগঞ্জের কালাদি এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে। তিনি ভুলতা নুর ম্যানশন মার্কেটে মোটর পার্টসের দোকান ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’র মালিক ছিলেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন হেকমত আলী। পরে ১৪ এপ্রিল তার দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম সবুজ, তার ভাই মাহফুজুর রহমান, মামুন মিয়া ও বাবা ইয়াকুব মোল্লাকে আসামি করে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেন হেকমত আলীর স্ত্রী রোকসানা বেগম।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল ইসলাম সবুজ হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বস্তাবন্দি লাশ ড্রামের ভেতরে ঢুকিয়ে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সেটি একটি মাছের খামারে ফেলে দেওয়া হয়।

তিন মাস পর নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় ঘোষণা করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট