
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠ টানা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ছিল সরগরম। দিন-রাত একটানা মিছিল, সভা, গণসংযোগ ও সমাবেশে মুখর ছিল পুরো জেলা। তবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) রাত ১২টার পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময় শেষ হলে শুরু হয় নীরবতা।
সরাসরি প্রচারণা বন্ধ থাকলেও প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের তৎপরতা পুরোপুরি থেমে থাকে নি। বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালানো হচ্ছে ব্যাপকভাবে। প্রার্থীদের পক্ষে তাদের সমর্থকরা চেষ্টা করছেন ভোটারদের মন জয় করে ভোট নিজেদের পক্ষে নিতে।
নির্বাচনী নীরবতার সময়ে মাইকিং কিংবা জনসমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ফেসবুক লাইভ, রেকর্ড করা ভিডিও, পুরোনো বক্তব্য ও কর্মসূচির ক্লিপ শেয়ার করে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চলছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সমর্থকদের।
নির্বাচনী সভাগুলোতে ঐকবদ্ধ হয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দেয়ার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন মনির হোসাইন কাসেমী, সেই প্রত্যয়ে কাসেমীর পক্ষে ‘ভোট ফর কাসেমী’ অনলাইন ক্যাম্পিংয়ে কাজ করে চলেছে ফতুল্লা থানা বিএনপি এবং এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য যে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের সভাপতি। বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকে ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের প্রতিটি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়ে আসছিলেন এবং বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য ফতুল্লাবাসীর কাছে অনুরোধ জানানোসহ খেজুর গাছের ক্যাম্পেইন চালিয়ে আসছিলেন। সে সাথে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বিজয়ী হলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়নেরও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। খেজুর গাছে ভোট দিলে ভোট ধানের শীষে যোগ হবে বলেও ফেসবুকে প্রচারনা চালিয়ে আসছেন বিএনপির সাইবার টিম।