
যুগের নারায়ণগঞ্জ:
পারিবারিক কলহের জেরে নারী উদ্যোক্তা কামরুন নাহার ইতিকে তার স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টু ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি প্রেস নারায়ণগঞ্জকে নিশ্চিত করেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম।
আদালতে অপরাধীর দেওয়া স্বীকারোক্তির বরাতে তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। তারই জেরে গত ২৭ জানুয়ারি রাতে আমলাপাড়া এলাকায় অবস্থিত নিহত ইতির মালিকানাধীন পরী বিউটি পার্লারে পুনরায় তাদের ঝগড়া হয়। যার একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন সেন্টু ছুরি দিয়ে তার স্ত্রীর বুকে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। পরে পার্লারের তালা দিয়ে চলে আসে। পরদিন আবার সে পার্লারে যায় এবং নিহতের ফোন রেখে আসে।”
তিনি আরও জানান, আনোয়ার হোসেন সেন্টুর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত কামরুন নাহার ফতুল্লার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তিনি তার স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টু ও ছেলে তানভীর (১২)-এর সঙ্গে এনায়েতনগর ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাস করতেন।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ইতি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় পরদিন তার ভাই আরিফ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি জিডি করেন। পরে ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে পার্লার থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের উপস্থিতিতে পার্লারের দরজা ভাঙা হয়। এ সময় পার্লারের টয়লেট থেকে নিহত ইতির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সন্দেহের জেরে নিহতের স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টুকে আটক করে পুলিশ।