1. admin@jugernarayanganj.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ : যুগের নারায়ণগঞ্জ
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিবাদ - যুগের নারায়ণগঞ্জ
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘শামীম ওসমানের ছায়ায় টিপু ? বিএনপিতে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট !’ শীতলক্ষ্যা সেতুতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণগেল অজ্ঞাত বৃদ্ধের ফতুল্লা থানা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ বহিষ্কার হকার উচ্ছেদে নাসিকের পাশে থাকবেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ মজুত ১৩ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ দেশ আবারও ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে-এটি এম মাসুম ফুটবল তুলতে গিয়ে নিভে গেল দুই প্রাণ—শোকে স্তব্ধ সোনারগাঁ সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই-মশিউর রনি মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ শিশুটি হাসপাতালে বাঁচার জন্য লড়ছে ফতুল্লায় বেপরোয়া বরিশাইল্যা শহিদ, এবার পিটিয়ে দ্বিখন্ডিত করলো হাতের আঙ্গুল!

ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিবাদ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

যুগের নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত সোনারগাঁ থানায় হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান ও সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ছোট সাদিপুর এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অন্তর্গত সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে ভয়ভীতি প্রদর্শনমূলক বক্তব্য দেন।

বিবৃতিতে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, “১৬০৮ ভোট এইখানে। ১৫০০ ভোট যদি কাস্ট হয়। এর থেকে ১০ ভোট, ২০ ভোটও যদি অন্য মার্কায় যায়, তাদের রেহাই নাই। আমাদের সকলের পেছনে গোয়েন্দা লাগানো আছে।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, এ বক্তব্য সরাসরি ভোটারদের ভয় দেখানো, তাদের স্বাধীন ভোটাধিকার হরণ এবং নির্বাচনী পরিবেশে আতঙ্ক ও সন্ত্রাস সৃষ্টির শামিল। একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এমন হুমকি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তারা আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের স্বাধীন, নির্ভয়ে ও গোপন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্য নির্বাচন আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এ ধরনের বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে।

বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, অবিলম্বে উক্ত বক্তব্যের নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেষে তারা বলেন, “ভয়ভীতি নয়, ভোটই হোক জনগণের শক্তি”- এই প্রত্যাশা নিয়ে গণসংহতি আন্দোলন সকল রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও প্রশাসনের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানায়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট