বন্দর প্রতিনিধিঃ বন্দরে অনুমোদনহীন ভেজাল ভেষজ ঔষধ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও সিরাপ তৈরির মেশিনারি সরমঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ । অভিযান কালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে অবৈধ কারখানার মালিকসহ তার কর্মচারীরা। ওই সময় পুলিশ অনুমোদনহীন কারখানায় তল্লাশি চালিয়ে ১৫ হাজার ৩ 'শ ৩৬ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের সিরাপ, ২টি বোতলের ক্যাপ লাগানো মেশিন, ৫ কেঁজি গ্যালন ২টি, ম্যাংগো ফ্লেভার মেডিসিন প্লাস্টিক বোতল দুইটি, পায়াযুক্ত স্টিলের তৈরি টাংকি ৩টি, ফাস্ট লেখা বেগুনি রংয়ের লেভেল ২ বান্ডিল, সিডর ফ্রুট ৩ বান্ডিল, ডলফিন হারবাল সিরাপ ১ বান্ডিল, চ্যাম্পিয়ন ম্যাজিক লেখা লেভেল ১ বান্ডিল,জ্যান্থান গাম ফুড গার্ডেন ১২ কেজি ও ১০০ টকার স্ট্যাম্প উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। গত বুধবার (২৯ নভেম্বর) রাত সোয়া ৯টায় বন্দর উপজেলার কুশিয়ারা উত্তরপাড়া এলাকার টিনসেড কারখানায় অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক সিরাপ ও অনুমোদনহীন ভেজাল ভেষজ তৈরি সরমঞ্জাম উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে বন্দর থানার এসআই মোহাম্মদ ফয়েজ হোসেন বাদী হয়ে অনুমোদন হীন ও ভেজাল ভেষজ ঔষধ প্রস্তুত করার অপরাধে ২ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও আরো ২/৩ জনকে আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং- ৩৩(১১)২৪। পলাতক আসামীরা হলো, কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার বাদুয়াড়া এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে নূরে আলম (৩৫) ও বন্দর উপজেলার কুশিয়ার উত্তর পাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে রহমাত উল্লাহ (৩৮)। বন্দর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক জানান, পলাতক আসামি নুর আলম ও রহমত উল্ল্যাহসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে কুশিয়ারা এলাকায় অনুমোদনহীন ভেজাল ভেষজ ওষুধ তৈরি করে আসছিল। থানার এসআই মোহাম্মদ ফয়েজ হোসেনসহ সঙ্গীয় র্ফোস গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উল্লেখিত স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিরাপ ও সিরাপ তৈরি সরঞ্জাম উদ্ধার করে। ওই সময় পালিয়ে যায় নূর আলম ও রহমত উল্লাহসহ অন্যরা। পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারে জন্য অভিযান অব্যহত রয়েছে।
সম্পাদক : রনি কুমার দাস, প্রকাশক : মোঃ আল আমিন মিয়া রকি কর্তৃক প্রকাশিত
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : পশ্চিম ভোলাইল মেলিটিরী বাড়ি কাশীপুর ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ।
যোগাযোগ : ০১৫১১-৭০৫৩৮৪, ০১৯১৬-১৮৭২৫৪.
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত