1. admin@jugernarayanganj.com : jugernaraya nganj nganj : jugernaraya nganj nganj
  2. multicare.net@gmail.com : যুগের নারায়ণগঞ্জ :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

বন্দরে বিভিন্ন পশুর হাট গুলোতে জালনোট ব্যবসায়ী উৎপাত বৃদ্ধি-যুগের নারায়ণগঞ্জ

বন্দর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৯৪৬ বার পড়া হয়েছে

বন্দর প্রতিনিধিঃ বন্দর উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে জালনোট সরবরাহকারি ও পকেটমারের অনাগোনা আশংকা জনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন হাটে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাগন। বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানাগেছে , ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসচ্ছে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে পশু বেঁচাকেনা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই সুযোগে জালনোট সরবারহকারিরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বন্দরে ফরাজিকান্দা পশুর হাট, মদনগঞ্জ পশুর হাট, রুাপালী পশুর হাট, সোনাকান্দা পশুর হাট, বন্দর তিনগাও বালুর মাঠ পশুর হাট, ফুলহর পশুর হাট, কলাগাছিয়া মহনপুর পশুর হাটসহ বন্দরে বিভিন্ন পশুর হাটে প্রবেশ করে ক্রেতা ও বিক্রেতাগনকে বোকা বানিয়ে জালনোট হাতে ধরি দিয়ে আসল টাকা নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যাচ্ছে। সে সাথে রয়েছে পকেটমার দের উৎপাত। তারা উল্ল্যেখিত পশুর হাট গুলোতে প্রবেশ করে পশু দর দাম করার সুযোগে ক্রেতাদের পকেট কেটে হাজার হাজার টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু বকর সিদ্দিকের সাথে আলাপকালে তিনি জানিয়েছে, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বন্দরবাসীর সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আমাদের থানার পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করছে। বন্দরে বিভিন্ন পশুর হাট অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়নসহ গুরুত্বপূর্ন মার্কেট গুলোর সামনে পুলিশের টহল জোরদার রাখা হয়েছে।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে
বন্দর থানায় দালাল চক্রের আনাগোনা বৃদ্ধি
বন্দর প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বন্দর থানায় দালাল চক্র, তদবিরকারক ও পুলিশ সোর্সের আনাগোনা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন কথা জানিয়েছে সচেতন মহল। তারা আরো জানিয়েছে, ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসচ্ছে বন্দরে দালাল চক্র, পুলিশ সোর্স ও তদবির কারকদের তৎপরতা ততই লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে বন্দরে পুলিশ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবনকারিসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে থানায় আনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে রাতারাতি বন্দর থানা ২১ নং ওয়ার্ডের শাহীমসজিদ ও সালেহনগর, ফরাজিকান্দা, দেউলী চৌরাপাড়া, তিনগাও এলাকার কতিপয় চিহিৃত দালাল চক্র, তদবিরকারকরা রাতেই থানায় ভিড় জমায়। পরে উৎকোচের বিনিময়ে কাউকে ১৫১ আবার কাউকে রাস্তায় থেকে ছেড়ে দেওয়ার গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে। থানায় তদবিরকারক ও দালাল চক্রের মধ্যে অধিকাংশই আওয়ামীলীগ বা জাতীয় পার্টি, কেউ বা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আবার কেউ বা কার্ডধারী কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারন মানুষের টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন্দর থানায় কর্মরত এক দারগা জানিয়েছে, বন্দর থানায় তদবির কারকদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। বন্দরের কিছু নেতাদের জোর তদবিরের কারনে অনেক সময় আমাদের কাজকর্মে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জানান, থানায় তদবিরকারি থাকতে পারে তবে এখানে কোন দালাল চক্র নেই। প্রতিটি নাগরিকের পুলিশের সেবা পাওয়ার অধিকা্র রয়েছে। বন্দর থানায় জিডি বা অভিযোগ দিতে কোন টাকা লাগেনা। কেউ টাকা পয়সা দাবি করলে আমাকে জানাবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট